নৈহাটির হুকুমচাঁদ চটকলের বুনন বিভাগে আধুনিক যন্ত্র বসানো নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ শুরু হয়েছে। রবিবার সকাল ১১টা থেকে শ্রমিকদের একাংশ চটকলের সামনে ঘোষপাড়া রোড অবরোধ করেন। প্রায় আধ ঘণ্টা অবরোধ চলে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
চটকল শ্রমিকদের আশঙ্কা এই যে, আধুনিক যন্ত্র বসালে যন্ত্রনির্ভর বুনন ব্যবস্থা চালু হবে। তার জেরে কাজ হারাতে পারেন শ্রমিকেরা। যদিও চটকল কর্তৃপক্ষ নোটিস দিয়ে এই বিষয়ে শ্রমিকদের জানিয়েছেন, কোনও শ্রমিকই কাজ হারাবেন না। উপরন্তু উৎপাদন বাড়লে আরও বেশি সংখ্যক শ্রমিকের প্রয়োজন হবে। সংস্থার চিপ এক্সিকিউটিভ অফিসার এসকে চন্দ্র বলেন, ‘‘এমনিতেই শ্রমিকের অভাবে মিলের পাঁচটি বিভাগে রাতের শিফট বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি। মাধে মধ্যেই অন্য মিল থেকে শ্রমিক এনে আমাদের কাজ করাতে হয়। ফলে শ্রমিক ছাটাইয়ের প্রশ্নই নেই।’’ শতাব্দী প্রাচীন চটকলটি এশিয়ার বৃহত্তম চটকল বটে। পাঁচ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। গত পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন বিভাগে আধুনিকীকরণের কাজ চলছিল। সম্প্রতি বুনন বিভাগে নতুন যন্ত্র বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। শ্রমিকদের একাংশ প্রথমেই বাধা দেন। শনিবারও এই নিয়ে মিলে উত্তেজনা ছিল। রবিবার সকালে বুনন বিভাগের শ্রমিকেরা কাজে যোগ দেননি। পুরনো যন্ত্র বের করা যাবে না বলে মিলের সামনে হইচই করতে থাকে। মিলের এক নম্বর গেটের সামনে ঘোষপাড়া রোডের বসে অবরোধ শুরু করেন।