Sandeshkhali Incident

‘ইডির উপর হামলার’ ঘটনার অভিযুক্তকে হেফাজতে চায় সিবিআই! শাহজাহান মামলার সাক্ষী খুনের চেষ্টায় গ্রেফতার করে পুলিশ

২০২৪ সালে ৫ জানুয়ারি শাহজাহানের বাড়িতে এসে আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকেরা। সেই ঘটনার তদন্তের স্বার্থে শাহজাহান শেখের মামলার অন্যতম সাক্ষী ভোলা ঘোষের গাড়িতে ধাক্কা মারার ঘটনায় ধৃত আব্দুল আলিমকে হেফাজতে চেয়ে আবেদন সিবিআইয়ের।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:০৪
Share:

আদালতে হাজির করানো হয় ধৃত আব্দুল আলিম মোল্লাকে। — নিজস্ব চিত্র।

শাহজাহান শেখের মামলার অন্যতম সাক্ষী ভোলা ঘোষের গাড়িতে ধাক্কা মারার ঘটনায় ধৃত আব্দুল আলিম মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে আগের দিনই আদালতে আবেদন করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। এ বার তাঁকে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করল। বসিরহাট মহকুমা আদালতে সিবিআইয়ের আবেদন, ইডির উপর হামলার ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত আলিম।

Advertisement

২০২৪ সালে ৫ জানুয়ারি শাহজাহানের বাড়িতে এসে আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকেরা। সেই ঘটনার তদন্তভার হাতে পায় সিবিআই। বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতারও করে তারা। তবে এই মামলার অভিযুক্তদের তালিকায় ছিলেন আলিম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি। ভোলার মামলায় পুলিশ তাঁকে গ্রেফতারের পরই তৎপর হয় সিবিআই।

আলিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে গত ৩১ ডিসেম্বর আদালতে আবেদন করেছিল সিবিআই। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। সূত্রের খবর, জেলে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই আধিকারিকেরা। তবে আরও কিছু তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা। সেই কারণে আলিমকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আবেদন করল সিবিআই। চার দিনের হেফাজত চাওয়া হয়েছে।

Advertisement

গত ১০ ডিসেম্বর সকালে ভোলার চার চাকার গাড়ি বাসন্তী হাইওয়েতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। উল্টো দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে রাস্তার পাশের নয়ানজুলিতে পড়ে গাড়িটি। লরিটিও জলে পড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় গাড়িচালক এবং ভোলার কনিষ্ঠ পুত্রের। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন ভোলাও। পরের দিন, অর্থাৎ ১১ ডিসেম্বর রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেন ভোলা। তার ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। তিনি এবং তাঁর আইনজীবী দাবি করেন, সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে ‘পরিকল্পিত ভাবেই খুন’ করা হয়েছে তাঁর সহযাত্রী পুত্র এবং গাড়ির চালককে। সেই ঘটনায় গত ২১ ডিসেম্বর আলিমকে গ্রেফতার করেছিল ন্যাজাট থানার পুলিশ। বর্তমানে আদালতের নির্দেশে তিনি জেলে রয়েছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement