—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
আইএসএফের নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজার থানার ভোগালি ২ অঞ্চলের বানিয়াড়া এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারমুখী হয়ে একে অপরের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায় দু’পক্ষকে। ইট ছোড়াছুড়ি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠি চালায় বলে অভিযোগ। সে কথা মানেনি পুলিশ।
এ দিন ভোগালি ২ পঞ্চায়েত এলাকায় মিছিল করছিলেন ভাঙড়ের আইএসএফ প্রার্থী নওসাদ সিদ্দিকী। হুডখোলা গাড়িতে ছিলেন তিনি। সঙ্গে বাইকে ছিলেন কয়েকশো কর্মী। অভিযোগ, বানিয়াড়া এলাকায় আইএসএফের মিছিল দেখে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন কিছু তৃণমূল কর্মী। পাল্টা আইএসএফ কর্মীরা ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। গোলমাল বেধে যায়। তৃণমূলের ইটের আঘাতে এক দলীয় কর্মীর মাথা ফাটে বলে দাবি আইএসএফের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠি চালিয়ে উভয়পক্ষকে হটিয়ে দেয় বলে সূত্রের খবর।
নওসাদ বলেন, “সওকাত মোল্লা ভয় পেয়ে গিয়েছেন। সে কারণে আমার নির্বাচনী প্রচারে বাধা দিচ্ছেন। জয় বাংলা স্লোগান আমরাও দিই। আমরাও বলি, বাংলার জয় হোক। কিন্তু স্লোগান দেওয়ার নামে আমাদের কর্মীদের আক্রমণ আমি মেনে নেব না। ইট ছুড়ে আমাদের এক কর্মীর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। আমার গাড়ি লক্ষ্য করেও ইট ছুড়েছে। আমাদের কর্মীরা তো কোথাও সওকাতের প্রচারে বাধা দিচ্ছে না।”
অভিযোগ উড়িয়ে সওকাত বলেন, “ওই এলাকায় আমাদের কর্মীরা লিফলেট বিলি করছিলেন। সে সময়ে আইএসএফের লোকজন আমাদের কর্মীদের কটূক্তি করেন। তখন আমাদের ছেলেরা জয় বাংলা স্লোগান দেয়। এতে অসুবিধা কোথায়? এটা বাংলা স্লোগান, বাঙালির স্লোগান। আসলে ওরা বিজেপির মতোই জয় বাংলা স্লোগান মেনে নিতে পারছে না।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে