গিয়েছিলেন বাংলাদেশে প্রথম পক্ষের স্বামীর কাছ থেকে ছেলেকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে। অভিযোগ, কেড়ে নেওয়া হয় পাসপোর্ট। কার্যত ঘরবন্দি করে রাখা হয়। সেখান থেকে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে ঠাঁই হয় বাংলাদেশের জেলে। সেই জেলে ন’মাস কাটিয়ে ভারতে ফিরলেন বছর সাতাশের ফাল্গুনী রায়। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে কেটেছে বছর তিনেক।
রবিবার নদিয়ার গেদে সীমান্তে বাংলাদেশ এবং ভারতের সীমান্ত রক্ষীদের উপস্থিতিতে ফাল্গুনীকে দেশে ফেরানো হয়। দেশের মাটিতে পা দিয়ে ফাল্গুনী বলেন, “জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরতে পারব, দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর ঘর করতে পারব— এই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলাম। স্বামীর চেষ্টাতেই আবার ফিরতে পারলাম।’’
বছর পাঁচেক আগে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর ফাল্গুনীর বিয়ে হয় লাগোয়া এলাকার এক বাসিন্দার সঙ্গে। দম্পতির পুত্রসন্তান হয়। ফাল্গুনীর দাবি, প্রথম স্বামী বাংলাদেশের নাগরিক, বিয়ের পরে জানতে পারেন। অশান্তি হতে ছেলেকে নিয়ে তিনি বাংলাদেশে চলে যান। দেশে ফিরে ফাল্গুনী বলেছেন, ‘‘প্রথম পক্ষের স্বামী যাতে আইনি ভাবে শাস্তি পায়, সে চেষ্টা করব। ছেলেকেও ফেরানোর চেষ্টা করব।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে