Barun Biswas Murder Case

সুটিয়া গণধর্ষণ ও বরুণ বিশ্বাস খুনের পুনর্তদন্তের দাবি! মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন, আশায় পরিবার

২০১২ সালের ৫ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশনের কাছে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন শিয়ালদহের মিত্র ইনস্টিটউশনের (মেন) বাংলার শিক্ষক, বছর আটত্রিশের বরুণ বিশ্বাস। সুটিয়ায় নারী নির্যাতন এবং গণধর্ষণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ ২৩:০৫
Share:

বরুণ বিশ্বাসের ছবি হাতে তাঁর দিদি প্রমিলা রায়। — ফাইল চিত্র।

সুটিয়া গণধর্ষণ এবং সেই মামলার অন্যতম সাক্ষী বরুণ বিশ্বাসের হত্যা মামলার পুনর্তদন্তের দাবি উঠল। এই দাবি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হল বিশ্বাস পরিবার।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই বিশ্বাস পরিবারের তরফে শুভেন্দুর কাছে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে। পরিবারের দাবি, সরকারের তরফে ওই মামলাটি পুনরায় খতিয়ে দেখার সম্ভাবনার ইঙ্গিত মিলেছে।

২০১২ সালের ৫ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশনের কাছে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন শিয়ালদহের মিত্র ইনস্টিটউশনের (মেন) বাংলার শিক্ষক, বছর আটত্রিশের বরুণ বিশ্বাস। সুটিয়ায় নারী নির্যাতন এবং গণধর্ষণের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন তিনি। এলাকায় প্রতিবাদের মুখ হয়ে উঠেছিল বরুণ। তাঁর পরিবারের দাবি, সেই কারণে পরিকল্পিত ভাবে বরুণকে খুন করা হয়।

Advertisement

বিশ্বাস পরিবারের দাবি, সুটিয়া গণধর্ষণ এবং বরুণ খুনের নেপথ্যে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা দীর্ঘ দিন আইনের আওতার বাইরে। পরিবারের আরও অভিযোগ, প্রাক্তন মন্ত্রী তথা হাবড়ার প্রাক্তন বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম একাধিক বার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হয়নি। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে আদালতে কোনও চূড়ান্ত রায় হয়নি।

বরুণের দিদি প্রমিলা রায় বলেন, ‘‘এক যুগেরও বেশি সময় কেটে গেলেও মামলার বিচার সম্পূর্ণ হয়নি। অভিযুক্তদের একাংশ বর্তমানে জামিনে মুক্ত।’’ পরিবারের অভিযোগ, পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের আমলে তাদের অভিযোগের কোনও সুরাহা হয়নি। তবে বর্তমান সরকারের কাছে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। বরুণের দাদা অসিত বিশ্বাস জানান, মুখ্যমন্ত্রীর দফতর, বনগাঁর পুলিশ সুপার এবং বনগাঁ জিআরপির কাছে পুনর্তদন্তের আবেদন করা হয়েছে। রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তের পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন বলে দাবি অসিতের। সরকারের তরফে কী পদক্ষেপ করা হয়, সে দিকে তাকিয়ে বরুণের পরিবার এবং সুটিয়ার বাসিন্দারা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement