—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
বাবা এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শিশুপুত্রকে আইসিডিএস স্কুল থেকে বার করে দিলেন শিক্ষিকা। মহাকুমাশাসকের দফতরে দায়ের হল অভিযোগ। ঘটনাটি বসিরহাট-২ ব্লকের মথুরাপুর এলাকার।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে খবর, শিশুটির বাবা এইচআইভিতে আক্রান্ত। সেই রোগের কারণে অন্য উপসর্গ দেখা দিলে তাঁকে একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। এই খবর এলাকায় জানাজানি হতেই তাঁর চার বছরের পুত্রকে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে বার করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। সে অন্য দিনের মতো স্কুলে পড়তে যায়। কিন্তু সেখানকার দিদিমণি তাকে বলেন স্কুল থেকে চলে যেতে।
শিশুটি বাড়ি ফিরে মা-কে সব জানায়। তার মা তাকে আবার স্কুলে নিয়ে যায়। সূত্রের খবর, তখন শিক্ষিকা জানান, তার বাবা এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। তাই তাঁর ছেলেকে আর স্কুলে রাখা যাবে না।
এর পর শিশুটি এবং তার মা কান্নাকাটি করতে করতে বাড়ি ফিরে যান। বসিরহাটের মহকুমাশাসকের দফতরে ই-মেল মারফত অভিযোগ করেন। সিপিপিও অফিসেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। শিশুটির মায়ের দাবি, তার সন্তানকেও স্কুলে অন্য বাচ্চাদের মতো পড়াশোনা করার সুযোগ করে দিতে হবে।
অন্য দিকে শিশুর পিসি বলেন, ‘‘এক জন দিদিমণি এ রকম কুসংস্কারগ্রস্ত হন কী করে? তিনি এই রোগ সম্বন্ধে জানেন না? এটা কি কোনও ছোঁয়াচে রোগ?’’ ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিক্ষিকা ছবি হালদার বলেন, ‘‘আমি কোনও অন্যায় করিনি বা বাচ্চাটিকে আমি স্কুল থেকে বার করে দিইনি। আমার কাছে ছবি তোলা রয়েছে। আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে আমার বদনাম করা হচ্ছে।’’