Bhangar Murder Case

ঘনিষ্ঠ বন্ধুই খুনি! ভাঙড়ে তৃণমূল নেতার হত্যার চার দিন পরে প্রথম গ্রেফতারি, খুনের কারণ নিয়ে প্রশ্ন

খুনের রাতে কলকাতা পুলিশের ডগ স্কোয়াডের কুকুর ঘটনাস্থলের গন্ধ শুঁকে জঙ্গলের মধ্যে মেছোভেড়ির দিকে এগিয়ে গিয়েছিল। তা থেকে পুলিশের অনুমান ছিল, খুনের পিছনে গ্রামের কোনও ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৫ ১১:২৬
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

ভাঙড়ে তৃণমূল নেতা রাজ্জাক খাঁ খুনের ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার হলেন এক অভিযুক্ত। থানায় ডেকে দীর্ঘ ক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম মোফাজ্জল মোল্লা। রাজ্জাকের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার তৃণমূল নেতার খুনের দিনই তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। তাঁকেই খুনের অন্যতম অভিযুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে। খুনের নেপথ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব না কি ব্যক্তিগত আক্রোশ ছিল, তা তদন্তসাপেক্ষ। তবে এই খুনে মোফাজ্জেলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। ধৃতকে জেরা করে অস্ত্রের উৎস এবং অন্যান্য অভিযুক্তের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টা নাগাদ বিজয়গঞ্জ বাজারে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠক সেরে বাইক নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন রাজ্জাক। বিজয়গঞ্জ বাজারের অদূরে ভাঙড় খালপাড়ের রাস্তায় শিরীষতলায় প্রথমে গুলি করা হয় রাজ্জাককে। তার পর কুপিয়ে খুন করা হয় তাঁকে।

Advertisement

ঘটনাক্রমে উত্তর কাশীপুর থানা ছাড়াও কলকাতা পুলিশের ভাঙড় ডিভিশনের চারটি থানা, লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ, গুন্ডা দমন শাখা-সহ পুলিশের নানা বিভাগ তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক দল। দুই পঞ্চায়েত স্তরের নেতা ও সদস্যকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা।

পুলিশের অনুমান, দুষ্কৃতীরা হেঁটে এসেছিল। খুনের ঘটনার পরে হেঁটেই জঙ্গল পেরিয়ে মেছোভেড়ির আল ধরে চকমরিচা গ্রামের মধ্যে ঢুকে পড়ে। বস্তুত, খুনের রাতে কলকাতা পুলিশের ডগ স্কোয়াডের কুকুর ঘটনাস্থলের গন্ধ শুঁকে জঙ্গলের মধ্যে মেছোভেড়ির দিকে এগিয়ে গিয়েছিল। তা থেকে পুলিশের অনুমান ছিল, খুনের পিছনে গ্রামের কোনও ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। রাজ্জাককে যারা খুন করেছে, তারা পেশাদার খুনি, যাদের সুপারি দিয়ে আনা হয়েছিল বলেও মনে করছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

রবিবার ৫০ বছরের মোফাজ্জেলকে আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বারুইপুর মহকুমা আদালত। আগামী ২০ জুলাই আবার তাঁকে আদালতে হাজির করানো হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement