এই ধরনের খবরের ক্ষেত্রে আসল ছবি প্রকাশে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে। — প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। শুধু তা-ই নয়, ধর্ষণের ছবি, ভিডিয়ো রেকর্ড করে রেখে নির্যাতিতাকে ব্ল্যাকমেল করারও অভিযোগ উঠল। অভিযোগের ভিত্তিতে সরকারি ওই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে সোনারপুর থানার পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ সূ্ত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তি ভূমি সংস্কার দফতরে কর্মরত। এক তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্যাতিতা তরুণীর দাবি, ২০১৯ সালে তিনি নাবালিকা ছিলেন। সে সময় অভিযুক্ত তাঁকে একাধিক বার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। ধর্ষণের ছবি ও ভিডিয়ো রেকর্ড করে রেখে তাঁকে ব্ল্যাকমেলও করেন সরকারি ওই আধিকারিক। নির্যাতিতার কথায়, তাঁর বাবা পেশায় কলের মিস্ত্রি। ২০১৯ সালে অভিযুক্তের বাড়িতে পাইপলাইন সারাইয়ের কাজে যাওয়ার সূত্রে দুই পরিবারের মধ্যে পরিচয় ও যাতায়াত গড়ে ওঠে। বাবার পরিচিত হওয়ায় অভিযুক্তকে তিনি ‘কাকু’ বলে ডাকতেন। এক বার ঘুরতে যাওয়ার নাম করে অভিযুক্ত নির্যাতিতাকে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। তার পর তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। সেই ছবি ও ভিডিয়ো তুলে রেখে পরেও একাধিক বার তাঁকে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে দাবি।
নির্যাতিতার আরও দাবি, সম্প্রতি তাঁর বিয়ে ঠিক হয়। কিন্তু অভিযুক্ত খবর পেয়ে তাঁর হবু বরের বাড়িতে গিয়ে হাজির হন। সমাজমাধ্যমে তরুণীর ছবি ও ভিডিয়ো ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। শেষমেশ বিয়ে ভেঙে যায়। এর পরেই আতঙ্কিত হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে তরুণীর পরিবার। সোমবার সোনারপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। ঘটনার সময় নির্যাতিতা নাবালিকা ছিলেন, তাই মামলা দায়ের হয় শিশু সুরক্ষা (পকসো) আইনেও। তদন্তে নেমে রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত বিবাহিত। তাঁর সন্তানও রয়েছে।