ড্রোন হামলা ওমানে। ছবি: রয়টার্স।
ইরানের ১৫০ জায়গায় হামলা চালানো হয়েছে বলে এ বার দাবি করল ইজ়রায়েল। তাদের সেনাবাহিনীর দেওয়া বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের বিভিন্ন জায়গায় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তার ফলে অনেক জায়গারই ক্ষতি হয়েছে।
হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে না-পারলে শুধু জ্বালানি সঙ্কট নয়, অত্যাবশক পণ্যেরও চাহিদা বৃদ্ধি হতে পারে বলে মত রাষ্ট্রপুঞ্জের। আর তার ফলে খাদ্য, ওষুধ ইত্যাদি আবশ্যিক জিনিসপত্রের খরচ বাড়বে বলে মনে করছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক।
আবার সৌদি আরবে হামলা করল ইরান। তবে তাতে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সৌদি আরবের প্রশাসনের দাবি, মাঝ-আকাশেই তারা ছ’টি ড্রোন ধ্বংস করেছে।
জ্বালানির আন্তর্জাতিক বাজারে ডামাডোল রুখতে রাশিয়ার তেলে আরও একটু নমনীয় হয়েছে আমেরিকা। ভারতের পর বিশ্বের বাকি সব দেশকেই রাশিয়ার তেল কেনার ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে এই ছাড়ের মেয়াদ ৩০ দিন (১২ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল)। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করল জার্মানি। তারা মনে করে, ভুল পদক্ষেপ করেছে আমেরিকা।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই কাতারে আটকে ছিলেন তাঁরা। শুক্রবার বিশেষ বিমানে ৪৩০ জন বাংলাদেশিকে তাঁদের দেশে ফেরানো হল।
রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে দেখা করেন যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম। ৩০ কোটি মার্কিন ডলারের মানবিক সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘লেবানন এই যুদ্ধ বেছে নেয়নি।’’ একই সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বানও করেছেন নওয়াফ।
ইরানের পাশাপাশি লেবাননেও হামলা অব্যাহত রেখেছে ইজ়রায়েল। তাদের সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, লেবাননের উত্তর সীমান্তে নতুন করে সেনা পাঠানো হচ্ছে।
শুক্রবার আবার ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইরানের সরকারের পতন হবেই। তবে এখনই নয়!
শুক্রবার ইরাকে মার্কিন বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় বিবৃতি জারি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। তারা জানিয়েছে, ওই বিমানে থাকা ছ’জনেরই মৃত্যু হয়েছে।
আবার ইরানকে হুঁশিয়ারি দিলেন পেন্টাগনের প্রধান তথা মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ। তাঁর দাবি, শুক্রবারই ইরানে সর্বোচ্চ হামলা চালাবে আমেরিকা। দিন দুয়েক আগেও একই দাবি করেছিলেন হেগসেথ।
ওমানের ড্রোন হামলা। সেখানকার শিল্পাঞ্চলে হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় দু’জন ভারতীয়েরর মৃত্যু হয়েছে। নিশ্চিত করল নয়াদিল্লি। শুধু তা-ই নয়, এই হামলায় আরও ১০ জন আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের (উপসাগরীয়) যুগ্মসচিব অসীম মহাজন বলেন, ‘‘আহতদের মধ্যে পাঁচ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে বাকি পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।’’ হামলাটি হয়েছে ওমানের মাস্কাট থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে সোহার শহরে।