—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
বাড়ির ১১ জনকে শুনানিতে ডেকেছে নির্বাচন কমিশন। তার পরেই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কর্তার। এসআইআর আতঙ্কে আরও এক মৃত্যুর অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গে। এ বার ঘটনাস্থল দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানার মৌসুনি গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিয়াড়া এলাকা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতের নাম শেখ আব্দুল আজিজ। বয়স ৬২ বছর। আব্দুলের ছয় পুত্র এবং তিন কন্যা। তাঁদের প্রত্যেকেরই বিয়ে হয়ে গিয়েছে। ছেলেদের দাবি, পরিবারের সকলেরই ভোটার কার্ড রয়েছে। তা ছাড়া ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বাবা-মায়ের নাম আছে। ভোটার তালিকায় নাম আছে আব্দুলের বড় ছেলে ও বড় বৌমারও। তার পরেও আব্দুলের তিন ছেলে-বৌমা, নাতি-নাতনি মিলিয়ে মোট ১১ জনকে শুনানির নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার পর থেকেই চিন্তায় পড়ে যান আব্দুল।
পরিবারের দাবি, গত কয়েক দিন ধরে পাগলের মতো বিভিন্ন নথিপত্র খোঁজাখুঁজি করছিলেন বৃদ্ধ। শুক্রবার রাতে পরিচিতদের কাছে গিয়ে আলোচনা করেন। এমনকি, কান্নাকাটিও করেন। বাজারেও কয়েক জনের কাছে গিয়ে কান্নাকাটি করেছেন। তার পর বাড়ি ফিরে অসুস্থবোধ করেন তিনি। বাড়ির লোকজন হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁকে। কিন্তু চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন আব্দুল।
মৃতের পরিবার বলছে, তাঁর এলাকার পুরনো বাসিন্দা। তার পরেও শুনানির নোটিস আসায় প্রবল মানসিক চাপে পড়েছিলেন আব্দুল। সেই আতঙ্ক থেকেই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে খবর, এই মৃত্যুর ঘটনায় থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।