ভাঙচুরের পর। নিজস্ব চিত্র।
কলকাতা-ঢাকাগামী বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক মহিলার। বুধবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে গাইঘাটার ধর্মপুর এলাকার ডিপ টিউবওয়েল মোড় এলাকার যশোর রোডে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম ঝর্না বিশ্বাস (৪৫)। ওই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন মহিলার স্বামী স্বপন বিশ্বাস ও ছেলে সুজন। তাঁরা চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা বাসটিতে ভাঙচুর চালায়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বাসিন্দারা জানান, যশোর রোড বা ৩৫ নম্বর জাতীয় সড়ক যেন মৃতু-ফাঁদ হয়ে উঠছে এলাকার মানুষের কাছে। সরু রাস্তায় বেপরোয়া ভাবে যান চলাচলের জেরে প্রায়শই ঘটছে দুর্ঘটনা। বিশেষ করে অশোকনগর থেকে পেট্রাপোল পর্যন্ত দুর্ঘটনা বেশি হয়। এ বার কলকাতা-ঢাকাগামী একটি বেসরকারি পরিবহণ সংস্থার বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল মহিলার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বপনবাবু স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে মোটরবাইকে এক আত্মীয়ের বাড়ি গিয়েছিলেন। এ দিন সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন। সে সময় বাসটি কলকাতা থেকে যাত্রী নিয়ে বনগাঁর দিকে বেপরোয়া গতিতে আসছিল। পুলিশ জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি বাইকটিকে ধাক্কা মারে। বাইকে থাকা তিনজনই ছিটকে পড়েন। ওই সময় বাসটি মহিলার শরীরের উপর দিয়ে চলে যায়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা বাসে ভাঙচুর চালায়। ভাঙা হয় বাসের কাঁচ। ওই বাসে অনেক যাত্রী বাংলাদেশ যাচ্ছিলেন। পুলিশ তাঁদের জন্য অন্য একটি বাসের ব্যবস্থা করে দেয়। ঘাতক বাসটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
স্বপনবাবু ও সুজনকে প্রথমে হাবরা স্টেট জেনারেলে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, স্বপনবাবুর মাথায় ও পায়ে আঘাত লেগেছে। সুজনের পা ভেঙে গিয়েছে। স্বপনবাবুকে কলকাতার আরজিকরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বাইক আরোহীদের কারও মাথায় হেলমেট ছিল না।
সরু রাস্তায় বড় বাস চললে পাশে কোনও জায়গা থাকে না বলে জানায় স্থানীয়রা। তার মধ্যে আবার চলে বাসের রেষারেষি। বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে সড়ক চওড়া করা হোক। না হলে এমনই দুর্ঘটনা ঘটবে।
জলে ডুবে মৃত্যু। পুকুর থেকে এক যুবকের দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। বুধবার সকালে গোবরডাঙায় স্থানীয় বাসিন্দারা দেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম প্রদীপ চৌধুরী (৩০)। বাড়ি বিহারের ভাগলপুরে। পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দেহটি ময়না-তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুকুরে স্নান করতে গিয়েই এই ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশের অনুমান।