ছবি: সংগৃহীত।
রাজ্যে শাসক দলের আক্রমণ এবং ভোটে জালিয়াতির মোকাবিলায় কংগ্রেসকে কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে বলে দলের বৈঠকে এআইসিসি-র পর্যবেক্ষকের সামনে সরব হয়েছিলেন দলের রাজ্য ও জেলা নেতারা। কংগ্রেসের দিল্লির নেতৃত্ব কেন বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খোলেন না, উঠেছিল সেই প্রশ্নও। দলের বৈঠকে সেই অভিজ্ঞতার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের গা-জোয়ারি ও বেনিয়মের অভিযোগে প্রকাশ্যে সরব হলেন এআইসিসি-র পর্যবেক্ষক এ চেল্লাকুমার। তিনি এখন তামিলনাড়ু থেকে লোকসভার সাংসদ। হাওড়ার আমতায় ‘নিহত’ ছাত্র-নেতা আনিস খানের বাড়ি ঘুরে এসে শনিবার বিধান ভবনে চেল্লাকুমার বলেন, ‘‘তামিলনাড়ুতে আমরা পাঁচ দশকেরও বেশি ক্ষমতার বাইরে। কিন্তু ভোট লুঠের অভিযোগ সেখানে করা যায় না। বাংলায় যে ভাবে শাসক দল নির্বাচনের নামে প্রহসন করছ, তা নিন্দনীয়। অন্য কোথাও এমন হয় না!’’ তাঁর আরও মন্তব্য, ‘‘বিরোধী নেত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘নো ভোটার কার্ড, নো ভোট’ স্লোগান তুলেছিলেন, সংসদেও শোরগোল হয়েছিল। অথচ তাঁরই সরকারের আমলে পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হয়েছে।’’ তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র সুখেন্দু শেখর রায় অবশ্য পাল্টা বলেছেন, ‘‘কংগ্রেস আমলে নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ গোটা দেশে নজির হয়ে আছে! আজ যে সিপিএমের সঙ্গে কংগ্রেস নেতারা হাত ধরাধরি করে চলছেন, তারা ১৯৭২ সালে পাঁচ বছর বিধানসভা বয়কট করেছিল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে। যাঁরা এখন এ সব বলছেন, তাঁরা ইতিহাস জানেন না!’’