অমিতের তোপে কি আজ সারদা, কৌতূহল দলে

রাজ্যে পরিবর্তন চেয়েও সারদা-কাণ্ডে নীরব ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ! তার কয়েক দিনের মধ্যেই এ বার রাজ্যে আসছেন স্বয়ং অমিত শাহ। হাওড়ার ডুমুরজলা ময়দানে আজ, সোমবার তিনি কী কৌশল নেন, তার দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন রাজ্য বিজেপি-র নেতা-কর্মীরা। ঘটনাচক্রে, দ্বিতীয় বার বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আজ হাওড়ায় প্রথম দলীয় সভা অমিতের।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০১৬ ০৪:১৩
Share:

রাজ্যে পরিবর্তন চেয়েও সারদা-কাণ্ডে নীরব ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ! তার কয়েক দিনের মধ্যেই এ বার রাজ্যে আসছেন স্বয়ং অমিত শাহ। হাওড়ার ডুমুরজলা ময়দানে আজ, সোমবার তিনি কী কৌশল নেন, তার দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন রাজ্য বিজেপি-র নেতা-কর্মীরা। ঘটনাচক্রে, দ্বিতীয় বার বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আজ হাওড়ায় প্রথম দলীয় সভা অমিতের।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বা এর আগে অমিত নিজে— কেউই রাজ্যে এসে তৃণমূলকে আক্রমণ করেননি। মোদী এসেছিলেন সরকারি কর্মসূচিতে। ফলে, তাঁর রাজনৈতিক আক্রমণে না যাওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল। জেটলি কিন্তু সরকারি কর্মসূচির পাশাপাশি দলীয় সভাতেও তৃণমূলের সমালোচনায় যাননি! বিধানসভা ভোটের আগে কেন্দ্রীয় নেতাদের এ হেন আচরণে স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ হয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি-র কর্মীরা। দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারীতে বিজেপি-র সভায় কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও জাহাজমন্ত্রী নিতিন গডকড়ী তৃণমূল সরকারকে উৎখাতের ডাক দেওয়ায় কিঞ্চিৎ চাঙ্গা হন তাঁরা। তার পর গত বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন। কিন্তু সারদা কেলেঙ্কারি নিয়ে তিনি মুখ খোলেননি। এই পরিস্থিতিতে অমিত যাতে রাজ্যে এসে সারদা-কাণ্ড নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন, তার জন্য দলের রাজ্য নেতৃত্বের তরফে তাঁকে অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। এর পরে অমিত কী করেন, তা নিয়ে কৌতূহলী দলের নেতা-কর্মীরা।

বিজেপি বিধায়ক শমীক ভট্টাচার্য রবিবার অভিযোগ করেন, অমিতের সভামুখী বিজেপি কর্মীদের বাস এবং অন্যান্য গাড়ি মাঝপথেই আটকে দিচ্ছেন শাসক তৃণমূলের কর্মীরা। যদিও তাঁর বিশ্বাস, সব ভীতি প্রদর্শনকে উপেক্ষা করে কর্মীরা সভা সফল করবেনই। অমিতের সভায় হাওড়া, হুগলি, কলকাতা-সহ লাগোয়া জেলা থেকে কর্মীরা আসবেন বলে শমীক জানান। এর মধ্যেই রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে শনিবার দিল্লিতে মোদীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি-র কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিংহ। দলীয় সূত্রের খবর, রাহুলবাবু মোদীর কাছে অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের মদতে রাজ্য ক্রমশই বিদেশি জঙ্গিদের ঘাঁটি হয়ে উঠছে। তাই এ রাজ্যে এনআইএ-র তৎপরতা বাড়ানো দরকার। কেন্দ্র দরাজ হাতে রাজ্যের উন্নয়ন করুক— এই আর্জিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানিয়েছেন রাহুলবাবু। কংগ্রেস-সিপিএম জোটের সম্ভাবনা নিয়ে তাঁর কাছ থেকে খোঁজ নিয়েছেন মোদী। রাহুলবাবু তাঁকে জানিয়েছেন, সে ব্যাপারে বল এখন কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের কোর্টে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement