দুবাইয়ে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা। — ফাইল চিত্র।
পরের পর ড্রোন, মিশাইল হামলা। উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি। ইরানের প্রত্যাঘাতে কেঁপে উঠেছে একাধিক দেশ। পরিবারকে ভিডিয়ো কোল করে পরিস্থিতি দেখালেন কর্মসূত্রে বিদেশে পাড়ি দেওয়া বর্ধমানের দুই বাসিন্দা। এক জন থাকেন কুয়েতে, অন্য জন দুবাইয়ে। দুই দেশেই আমেরিকার দূতাবাস ও সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পরিযায়ীদের সুযোগ বুঝে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার ‘আশার আলো’ ভিডিয়োকলই।
পূর্ব বর্ধমানের কালনার নিভুজি কল বাড়ি এলাকার বাসিন্দা ২৮ বছরের মামন শেখ। চার বছর আগে কাজের সূত্রে কুয়েতে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। রাঁধুনির কাজ করে সংসার চালালেও হঠাৎ যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এখন কার্যত গৃহবন্দি তিনি। মামনের থাকার জায়গা থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে সোমবার রাতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। আতঙ্কে বাড়ি থেকে বেরোতে পারছেন না তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা। বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় দেশে ফেরার পথও আপাতত বন্ধ।
অন্যদিকে তাঁর খুড়তুতো ভাই সোহেল শেখ কাজ করেন দুবাই সংলগ্ন শারজা শহরে। সোনার ডিজাইনের কাজে যুক্ত সোহেল ভিডিয়োকলে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানিয়েছেন, সোমবার রাতের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেও কোনওরকমে প্রাণে বেঁচেছেন। তিনিও দেশে ফিরতে চান।
দুই পরিবারের সদস্যই কালনায় থেকে উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। দাবি, অবিলম্বে ভারত সরকার উদ্যোগ নিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে দু’জনকে নিরাপদে ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করুক। প্রিয়জনদের সুস্থ প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে এক অঞ্চলের দুই পরিবার।