Bardhaman Cricket Team

সিএবি পরিচালিত অনূর্ধ্ব–১৫ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা থেকে বহিষ্কার বর্ধমান জেলা! রয়েছে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ

বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থায় দীর্ঘদিন ধরে ডামাডোল চলছে। সংস্থার কর্মসমিতির মেয়াদ অনেক দিন আগে শেষ হয়ে গিয়েছে। নিয়ম মেনে নির্বাচনও হয়নি বলে অভিযোগ । মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ক্রীড়া সংস্থার কর্মসমিতি এবং উপ সমিতিগুলি ভেঙে গিয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:৩১
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

নিয়ম ভেঙে ম্যাচ আয়োজন করায় সিএবি পরিচালিত অনূর্ধ্ব–১৫ আন্তঃকোচিং ক্যাম্প ক্রিকেট প্রতিযোগিতা থেকে বর্ধমান জেলাকে বহিষ্কার করা হল। বৃহস্পতিবার সিএবির অ্যাপেক্স কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

সিএবির এই সিদ্ধান্তের ফলে এ বার মূল পর্বের খেলায় বর্ধমান জেলার দু’টি দল অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। জেলা ক্রীড়া সংস্থার ইতিহাসে প্রতিযোগিতা থেকে বহিষ্কার হওয়ার ঘটনা সম্ভবত এই প্রথম। বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত সামনে আসার পর জেলার ক্রীড়া মহলে ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। ক্রীড়া সংস্থার কর্তাদের দুষছেন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষজন।

ক্রীড়া সংস্থার এক কর্তা বলেন, “বহিষ্কারের বিষয়ে এখনও আমরা কিছু জানি না। চিঠি পেলে সিএবিকে ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। ”

Advertisement

বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থায় দীর্ঘদিন ধরে ডামাডোল চলছে। সংস্থার কর্মসমিতির মেয়াদ অনেক দিন আগে শেষ হয়ে গিয়েছে। নিয়ম মেনে নির্বাচনও হয়নি বলে অভিযোগ । মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ক্রীড়া সংস্থার কর্মসমিতি এবং উপ সমিতিগুলি ভেঙে গিয়েছে। কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে ক্রীড়া সংস্থা। খেলাধুলো পরিচালনার জন্য জেলাশাসক একটি অন্তর্বর্তী কমিটি গড়ে দিয়েছেন। যদিও সেই কমিটির আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ক্রীড়া সংস্থার সংবিধানে অন্তর্বর্তী কমিটির কোনও অস্তিত্ব নেই। প্রতিযোগিতা আয়োজনের ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট উপ সমিতির উপর দেওয়া রয়েছে। অন্তর্বর্তী কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বর্ধমান আদালতে মামলা হয়েছে। সেটি বিচারাধীন। অন্তর্বর্তী কমিটি নিয়ে সিএবি এবং আইএফএ–তেও অভিযোগ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলার প্রাক্তন খেলোয়াড় সুধীররঞ্জন সাউ অভিযোগ জানিয়েছেন। অন্তর্বর্তী কমিটি অনূর্ধ্ব–১৫ আন্তঃকোচিং ক্যাম্প প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে গিয়ে বিপাকে পড়ে। রাধারানি স্টেডিয়ামের মাঠ তৈরি না থাকায় প্রতিযোগিতার ম্যাচ মালিরবাগান মাঠে আয়োজন করা হয়। সেখানে টার্ফ উইকেট নেই। মাঠের আয়তনও ছোট। একটি ম্যাচের আয়োজন করা হলেও সেটি একদিকে খেলা হয়। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এ নিয়েও সিএবিতে অভিযোগ জমা পড়ে। তার ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সিএবি সূত্রে জানা গিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে ক্যাম্পের এক কর্তা বলেন, “সিএবি জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে প্রতিযোগিতা থেকে বহিষ্কার করেছে। এর ফলে, জেলার উঠতি খেলোয়াড়রা বড় আসরে নিজেদেরকে মেলে ধরার সুযোগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হল। এর দায় ক্রীড়া সংস্থার কর্তাদেরই নিতে হবে। জেলাশাসকের উচিত অন্তর্বর্তী কমিটি ভেঙে দিয়ে নির্বাচন ঘোষণা করা।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement