কুলটিতে কংগ্রেসের বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। নিজস্ব চিত্র ।
কুলটি কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী রবি যাদবের সমর্থনে আজ, মঙ্গলবার শচীন পাইলটের সভা করার কথা। সে সভার অনুমতি নিয়ে সোমবার দিনভর টানাপড়েন চলল। অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগে সারা দিন পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। কুলটি থানার সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ করেন প্রার্থী রবি-সহ দলীয় নেতা-কর্মীরা। পরে নিয়ামতপুর মোড়ে জিটি রোড রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। রাতে অবশ্য কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, পুলিশের অনুমতি মিলেছে।
কংগ্রেস সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার নিয়ামতপুর শিবমন্দির ময়দানে সভায় শচীন পাইলট, পাপ্পু যাদব ও ইরফান আনসারির থাকার কথা। সে জন্য সংশ্লিষ্ট নানা জায়গায় অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। মঞ্চ এবং হেলিপ্যাডও তৈরি। কিন্তু পুলিশ হঠাৎ অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। কংগ্রেস প্রার্থী রবির অভিযোগ, “আমরা কুলটি থানায় কথা বলতে গেলে, অধিকারিকেরা আমাদের সঙ্গে কথা বলছিলেন না। আমাদের কর্মসূচিতে এ ভাবে বাধা কীসের কারণে?”
কুলটি ব্লক কংগ্রেস সভাপতি সুকান্ত দাসের দাবি, “সোমবার সকালে থানা থেকে জানানো হয়, অনুমতি দেওয়া হবে না। এর কারণ জানতে চাইলে বলা হয়, অন্য একটা রাজনৈতিক দল অনুমতি নিয়ে রেখেছে। তাই আমাদের আর দেওয়া যাবে না। শুধু কংগ্রেসের ক্ষেত্রে অনুমতি বাতিল কেন হবে? আমাদের ব্যানার-হোর্ডিংও ছিঁড়ে দেওয়া হচ্ছে।’’ কংগ্রেসের অভিযোগ, পুলিশ তৃণমূলের কথায় অনুমতি আটকে রাখে। নিয়ামতপুর ফাঁড়ির পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বচসা ও ধস্তাধস্তি বাধে। কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছয়। রাতে সুকান্ত জানান, সভার অনুমতি মিলেছে।
জেলা যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বিমান দত্তের যদিও বক্তব্য, ‘‘পুলিশ-প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের আওতায় রয়েছে। তাই আমাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই।’’ পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার এলাকায় দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভা রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব দিক ভেবেই পদক্ষেপ করা হচ্ছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে