Asha Bhosle Death

আশার তিন সফরের স্মৃতি ফিরল দুর্গাপুরে

র্গাপুর স্টিল প্লান্টের স্টিল মেল্টিং শপের (এসএমএস) রজত জয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষে এসএমএস রিক্রিয়েশন ক্লাব এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।

অর্পিতা মজুমদার

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:২৫
Share:

সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে। ফাইল চিত্র।

এই শহরে তিনি এসেছেন একাধিক বার। সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলের প্রয়াণে তাই স্মৃতিমেদুর দুর্গাপুরের অনেকেই। শহরবাসীর মনে পড়ছে, এই শহরে এসে তাঁর তিন বার অনুষ্ঠান করে যাওয়ার কথা।

প্রথম বার আশা এই শহরে এসেছিলেন ১৯৮৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। দুর্গাপুর স্টিল প্লান্টের স্টিল মেল্টিং শপের (এসএমএস) রজত জয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষে এসএমএস রিক্রিয়েশন ক্লাব এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। ডিএসপি টাউনশিপের হস্টেল অ্যাভিনিউ গ্রাউন্ডের মঞ্চে হয়েছিল অনুষ্ঠান। এই মাঠেই ১৯৮৩ সালের ২৭ নভেম্বর এসেছিলেন লতা মঙ্গেশকর। লতার অনুষ্ঠান আয়োজনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন হস্টেল রিক্রিয়েশন ক্লাবের সদস্য অঞ্জন ওরফে টোটন দাস। তাই আশার অনুষ্ঠান আয়োজনেও তাঁকে ডাকেন আয়োজকেরা। অঞ্জন বলেন, “আমি অনেক অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্তথেকেছি। তবে আশাজির অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতাই আলাদা। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পেয়েই মনটা খারাপ হয়েছিল। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরে সারা দিন মন খারাপ।”

তিনি জানান, সে দিন আশা অনুষ্ঠান শুরু করেছিলেন ‘চোখে চোখে কথা বলো, মুখে কিছু বলো না’ গান দিয়ে। হিন্দি-বাংলা মিশিয়ে ৫-৬টি করে গান গাওয়ার পরে, তিনি চলে যাচ্ছিলেন গ্রিন রুমে। শাড়ি বদলে কিছু ক্ষণ পরে আবার মঞ্চে আসেন। এ ভাবে তিন দফায় তিনি মঞ্চে উঠেছিলেন। সঙ্গে এসেছিলেন রাহুল দেববর্মণ, মহম্মদ আনোয়ার, মেয়ে বর্ষা। রাহুলের সঙ্গে ‘বাঁচকে রেহনা রে বাবা’ গাওয়ার সময়ে তাঁদের দু’জনের রসায়ন মুগ্ধ করে শ্রোতা-দর্শকদের। অঞ্জন জানান, লতা মঞ্চের একই জায়গায় দাঁড়িয়ে গেয়েছিলেন। কিন্তু আশা মঞ্চে ঘুরে ঘুরে গাইতেন।মহম্মদ আনোয়ার, বর্ষার সঙ্গেও গেয়েছিলেন। হরিহরণকে মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন, ‘মহম্মদ রফি নেই। তাঁর গলা আর শোনা যাবে না। এই ছেলেটি ভাল গাইছে। আপনাদের ভাল লাগবে।’

আশার প্রয়াণে অঞ্জনের মনে পড়ছে সে দিনের অনেক কথাই। তিনি জানান, প্রথম বার গ্রিন রুমে যাওয়ার সময়ে তিনি প্রণাম করেন আশাকে। তাঁকে জানান, এই মাঠেই আগের বছর লতা এসেছিলেন। অঞ্জনের কথায়, ‘‘তিনি আমাকে মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করেন।”

এর পরে আশা আরও দু’বার দুর্গাপুরে এসেছিলেন। সিটি সেন্টারের সিধো-কানহো ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১৯৮৮ সাল নাগাদ এক বার। আর এক বার ২০০১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ডিএসপি টাউনশিপের নেহরু স্টেডিয়ামে। সে বার সঙ্গে ছিলেন উদিত নারায়ণ-সহ অন্য শিল্পীরা। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ছিল ‘আমরা ক’জন বয়েজ ক্লাব’। ক্লাবেরতরফে চিন্ময় মাহাতো বলেন, “স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শকদের মাতিয়ে দিয়েছিলেন আশাজি।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন