Bardhaman Locker Recovery

ছুটির দিনে মাছ ধরতে গিয়ে জালে পেলেন মাদারবোর্ড আর হার্ড ডিস্ক! বর্ধমানে লকার-রহস্য, তদন্তে পুলিশ

যে পুকুর থেকে জালে কাঠের লকার উঠে এসেছে, সেই পুকুরের মালিক মহম্মদ জিয়াউদ্দিন। তিনি কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকেন। সপ্তাহান্তে বাড়ি আসেন। রবিবার ছুটির দিনে মাছ ধরার জন্য পুকুরে জাল ফেলেছিলেন তাঁরা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ ২১:২৪
Share:

মাছ ধরার জালে উঠে আসা এই লকার ঘিরে চাঞ্চল্য বর্ধমানের গ্রামে। —নিজস্ব চিত্র।

ছুটির দিনে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন। জাল ফেলেছিলেন। কিন্তু মাছের বদলে পেলেন কাঠের আস্ত একটি লকার। তার ভিতরে আবার হার্ড ডিস্ক আর মাদারবোর্ড। তাই নিয়ে শোরগোল গোটা গ্রামে। ঘটনাস্থল পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বলগোনা অঞ্চলের তুলসীডাঙা পাড়া।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে খবর, যে পুকুর থেকে জালে কাঠের লকার উঠে এসেছে, সেই পুকুরের মালিক মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন। তিনি কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকেন। সপ্তাহান্তে বাড়ি যান। রবিবার ছুটির দিনে মাছ ধরার জন্য পুকুরে গিয়েছিলেন তাঁরা। দু’বার জাল ফেলার পরে মাছ তেমন ওঠেনি। তৃতীয় বারেও একই অবস্থা। কিন্তু সে বার জালে উঠে আসে একটি লকার। লকারের ভিতরে হার্ড ডিস্ক এবং মাদারবোর্ড উঠে পাওয়ার খবর ছড়়িয়ে পড়তে ভিড় জমান গ্রামবাসীরা। খবর পেয়ে গ্রামে যায় পুলিশও। তারা জিনিসগুলো নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। শুরু হয়েছে লকার-রহস্যের তদন্ত।

জিয়াউদ্দিনের পরিবারের সদস্যেরা জানিয়েছেন, লকারটি তাঁদের বাড়ির নয়। তার মুখ আলগা ছিল। তাই সহজেই খোলা গিয়েছে। ভিতরে একটি হার্ড ডিস্ক এবং একটি মাদারবোর্ড দেখে কৌতূহলী হয়ে পড়েন উপস্থিত সকলে। ভিড় জমতে থাকে পুকুরের ধারে। তাঁরা পুলিশে খবর দেন। পুকুরের মালিক মনে করছেন, কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে লকারটি পুকুরে ফেলে দিয়ে গিয়েছেন। তবে কী কারণে এমন করা হয়েছে, তা তাঁরও বোধগম্য নয়। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হকের মতে, গুরুত্বপূর্ণ বা গোপন কোনও তথ্য লুকিয়ে রাখা বা নষ্ট করার জন্য ওই কাজ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া হার্ড ডিস্ক এবং মাদারবোর্ডে কী রয়েছে, সেগুলো থেকে কোনও তথ্য উদ্ধার করা যায় কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement