রবি বিশ্নোই। ছবি: সমাজমাধ্যম।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হেরে সিরিজ়ে পিছিয়ে পড়েছে ভারত। জেকব বেথেলের ব্যাটিংয়ে জিতেছে ইংরেজরা। ওই ম্যাচে রবি বিশ্নোইয়ের একটি ওভারই ভারতকে হারিয়ে দিয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। সতীর্থের পাশে দাঁড়াননি ঈশান কিশন।
শেষ চার ওভারে ৪৯ দরকার ছিল ইংল্যান্ডের। ১৭তম ওভারে বিশ্নোই দেন ২৯ রান। দু’টি নো বল করেন। দু’টিই ছয় মেরে দেন বেথেল। ওখানেই ম্যাচ ইংল্যান্ডের দিকে ঝুঁকে যায়।
ম্যাচের পর ঈশান বলেন, “ম্যাচ আমাদের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। ভেবেছিলাম ওখান থেকে জিতেও যেতে পারি। কিন্তু ওই ফ্রি হিটের পর ওরা আত্মবিশ্বাস পেয়ে গিয়েছিল। ওদের উপর যে চাপ তৈরি হয়েছিল সেটা কেটে গিয়েছিল।”
ঈশানের সংযোজন, “আমরা ভালই বল করেছি। নিজস্ব পরিকল্পনা কাজে লাগিয়েছি। তবে বেথেলেরও প্রশংসা করতে হবে। ও সময় নিয়েছে। অনেক ক্ষণ ধরে ক্রিজ়ে পড়ে থেকেছে। ও বুঝে গিয়েছিল ঠিক কখন আক্রমণ শুরু করতে হবে এবং কাকে আক্রমণ করতে হবে।”
শেষ পর্যন্ত ভারত ম্যাচটি চার উইকেটে হেরে যায়। আয়ারল্যান্ডে দু’টি ম্যাচেই হেরেছিল ভারত। ফলে শেষ চারটি ম্যাচে জিততে পারল না তারা। শ্রেয়স আয়ার অধিনায়ক হিসাবে এখনও একটি ম্যাচেও জিততে পারেননি।
শনিবার খেলা শেষে শ্রেয়সকে হারের কারণ নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, আমরা সকলেই জানি কোথায় হেরেছি। কিন্তু সরাসরি কাউকে দায়ী করতে চাই না।” এ কথা বলার পরেও ঘুরিয়ে বিশ্নোইয়ের দিকেই আঙুল তোলেন শ্রেয়স। তিনি বলেন, “আমি ভেবেছিলাম, প্রথম বলে নো করার পর ও ফিরে আসবে। কিন্তু পারল না। ওই ওভারটাই আমাদের হারিয়ে দিল। আশা করি ও শিক্ষা নেবে।”
ইংল্যান্ডের জয়ের কৃতিত্ব দু’জনকে দিয়েছেন শ্রেয়স। বল হাতে স্যাম কারেন ও ব্যাট হাতে বেথেল। কারেন চার ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন। বেথেল ৪৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করেন। শ্রেয়স বলেন, “দুই ইনিংসেই প্রথম ১৫ ওভার খেলা আমাদের হাতে ছিল। কিন্তু ওরা আসল সময়ে ম্যাচে ফিরল। কারেন অফ স্টাম্পের বাইরে ক্রমাগত বল করে গেল। পিচ বুঝে বুদ্ধি করে বল করল। বেথেল পরিকল্পনা করে শট খেলল। ঠিক বোলারকে নিশানা করল।”