ট্যাঙ্কার চালকের জামিন

গরম পিচের ট্যাঙ্কার উল্টে একই পরিবারের সাত জনের মৃত্যুর ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভাবে মৃত্যু ঘটানোর মামলা রুজু হয়েছিল চালকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার বর্ধমান সিজেএম এজলাসে আত্মসমর্পণ করেন ওই চালক।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০১৭ ০১:১৮
Share:

চাপা পড়ে আছে আরভদের গাড়ি।—নিজস্ব চিত্র

গরম পিচের ট্যাঙ্কার উল্টে একই পরিবারের সাত জনের মৃত্যুর ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভাবে মৃত্যু ঘটানোর মামলা রুজু হয়েছিল চালকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার বর্ধমান সিজেএম এজলাসে আত্মসমর্পণ করেন ওই চালক। জামিনযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হওয়ায় বিচারক সে দিনই তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছেন।

Advertisement

পুলিশ জানায়, ওই ট্যাঙ্কার চালকের নাম চারকু রাম। বাড়ি উত্তরপ্রদেশের কলিনড়ুবারে। তিনি হরিপালের একটি কারখানা থেকে গরম পিচ নিয়ে মধ্যপ্রদেশের বঙ্গাও যাচ্ছিলেন। বর্ধমান শহরের রথতলা আন্ডারপাসের কাছে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের উপরে ট্যাঙ্কারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছোট গাড়ির উপর উল্টে যায়। হাওড়ার গোলামারির আবাসন থেকে ওই গাড়িতে বিহারের ভোজপুরে যাচ্ছিলেন এক পরিবারের সাত জন। ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়।

চালকের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য ধারায় মামলা করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক আইনজীবী। তাঁদের দাবি, গায়ক কালিকাপ্রসাদের মৃত্যুর পরে গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে পুলিশ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করেছিল (আইপিসি ৩০৪)।

Advertisement

বর্ধমানের কার্জন গেটে একটি দুর্ঘটনায় পুলিশ অনিচ্ছাকৃত ভাবে মৃত্যুর মামলা রুজু করে। কিন্তু সমালোচনার মুখে পড়ে পুলিশ জামিন অযোগ্য ধারা দেয়। এ ক্ষেত্রে জামিনযোগ্য ধারায় মামলা হল কেন? অভিযুক্তের আইনজীবী পুলক মুখোপাধ্যায় বলেন, “চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন না। তিনি একাই গাড়িতে ছিলেন। সড়ক-বিধি মেনেই গাড়ি চালাচ্ছিলেন।
চালকের কোনও গাফিলতি ছিল না বলেই পুলিশ অনিচ্ছাকৃত ভাবে মৃত্যু ঘটানোর (৩০৪এ) ধারায় মামলা করেছে।” পুলিশের দাবি, এক প্রত্যক্ষদর্শীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। মৃতের পরিবারের তরফ থেকে কেউ অভিযোগ জানাননি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement