Bardhaman

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তালা কেন, প্রশ্ন কর্তাদের

ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিকাঠামোর বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এ দিন দুপুরে দিগনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান বিডিও।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ জানুয়ারি ২০২৩ ২২:১২
Share:

নিজস্ব চিত্র।

ভবন সংস্কারের জন্য পরিদর্শনে গিয়ে বিডিও দেখলেন তালা ঝুলছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। ফলে পরিদর্শন না করেই ফিরতে হল বিডিও (আউশগ্রাম ১) অরিন্দম মুখোপাধ্যায়কে। শুক্রবার এই ঘটনায় আউশগ্রামের দিগনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিডিও বলেন, ‘‘স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ থাকবে এটা কাঙ্ক্ষিত নয়। কেন তা বন্ধ ছিল, তা সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছে জানতে চাওয়া হবে।’’

Advertisement

ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিকাঠামোর বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এ দিন দুপুরে দিগনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান বিডিও। সঙ্গে ছিলেন আউশগ্রাম ১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি মৃণালকান্তি রায়। দুপুর পৌনে ২টো নাগাদ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে তাঁরা দেখেন, দরজায় তালা ঝুলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কেন্দ্রের পরিষেবা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই ক্ষোভ রয়েছে এলাকাবাসীর। বেশ কয়েকবার বিক্ষোভও হয়েছে। তেলোতা, যাদবগঞ্জ, কুমারগঞ্জ, আলিগ্রাম, দেয়াশা, মালিদাপাড়া, কেওতলা, হাটকীর্তিনগর, আনন্দবাজার, দিগনগর, তাঁতরা, বিজয়পুর, গোন্না, দ্বারিয়াপুর, লক্ষ্মীগঞ্জ, কলাইঝুটি, বনপাড়া, চরণপাড়ার মতো ২০-২২টি গ্রামের হাজার দশেক মানুষ এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপরে নির্ভরশীল। দৈনিক শখানেক করে রোগী আসেন চিকিৎসা পরিষেবা নিতে। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক ছিলেন না। চিকিৎসক দেওয়ার জন্য আবেদন, আন্দোলন, সবই হয়েছে। এক জন চিকিৎসককে দেওয়াও হয়। কিন্তু তিনি সপ্তাহে দু’দিনের বেশি আসেন না বলে অভিযোগ।

তিন-চার দশক আগেও এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অন্তর্বিভাগ চালু ছিল। প্রসব করানো হত। কিন্তু বহু দিন তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন শুধু মাত্র বহির্বিভাগের চিকিৎসা আর ওষুধ দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বর্তমানে একজন চিকিৎসক, একজন ফার্মাসিস্ট, একজন নার্স ও একজন জিডিএস কর্মী রয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, বেলা ১টা, দেড়টা পর্যন্ত খোলা থাকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক (আউশগ্রাম ১) জয়দ্রথ বিশ্বাস বলেন, ‘‘কী জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ ছিল, খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।’’

Advertisement

তিনি জানান, বিকাল ৪টে পর্যন্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র খুলে রাখার কথা। সহ-সভাপতি বলেন, ‘‘ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য কিছু কাজের কথা বলেছিলেন। সেই কারণে বিডিওকে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তালা থাকায় আমাদের ফিরে আসতে হয়।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement