জোগান নেই, সব্জির দাম শুনে ক্রেতার চোখ কপালে

টানা বৃষ্টির ফলে বাজার আগুন সব্জির খনি-শিল্পাঞ্চলে। এক ধাক্কায় প্রায় প্রতিটি সব্জির প্রতি কিলোগ্রামে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা করে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে দাম আবার দ্বিগুন হয়ে গিয়েছে। সব্জির দাম আরও বাড়তে পারে, এই আশঙ্কায় কপালে ভাঁজ বাসিন্দাদের।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ অগস্ট ২০১৫ ০০:৪৬
Share:

বুঝেশুনে কেনা। —নিজস্ব চিত্র।

টানা বৃষ্টির ফলে বাজার আগুন সব্জির খনি-শিল্পাঞ্চলে। এক ধাক্কায় প্রায় প্রতিটি সব্জির প্রতি কিলোগ্রামে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা করে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে দাম আবার দ্বিগুন হয়ে গিয়েছে। সব্জির দাম আরও বাড়তে পারে, এই আশঙ্কায় কপালে ভাঁজ বাসিন্দাদের।

Advertisement

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে নাজেহাল অবস্থা সাধারণ মানুষের। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় চাষের জমি চলে গিয়েছে জলের তলায়। নষ্ট হচ্ছে সব্জিও। ফলে, সব্জির জোগান কমেছে। আর তাতেই লাফিয়ে বাড়ছে দাম। পটল, ঝিঙে, ঢ্যাঁড়সের মতো সব্জির দাম বেড়ে গিয়েছে অনেকটা। বাদ যায়নি কুমড়ো, কাঁচা লঙ্কা, বাঁধাকপি, ফুলকপিও। বাজার করতে গিয়ে হিমসিম হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আর বেশি দাম হওয়ায় বিপাকে পড়ছেন খুচরো ব্যবসায়ীরাও। দুর্গাপুরের বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, বেশ কিছু দিন ধরে লাগাতার বৃষ্টিতে ব্যবসা অনেকটাই মার খেয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে রোদ থাকায় বাজারে ভিড় হয়। এ দিন হয়তো সব্জির দাম খানিক কমবে বলে আশা করেছিলেন অনেকে। কিন্তু কমা তো দূর, দাম বরং বেড়েছে। ফলে, ব্যাগ না ভরিয়েই বাড়ি ফিরেছেন অনেকে।

দুর্গাপুরের মামরা বাজারের ব্যবসায়ী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রতি কেজি পটলের দাম বৃষ্টির আগে ছিল ২০-২৫ টাকা। তা এখন বেড়ে হয়েছে ৩০-এর উপরে। আবার ঝিঙের দাম ৩০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫০ টাকা। যে ফুলকপি ২৫ টাকায় বিক্রি হত তা এখন হয়েছে ৪০ টাকা। একই ভাবে বেড়েছে বাঁধাকপির দাম। এমনকী, কাঁচালঙ্কার দামও বেড়েছে। সুদীপবাবুর কথায়, ‘‘জলের জন্য অনেক জায়গা থেকেই সব্জি আসছে না। আশপাশের চাষিরাও বাজারে আসতে পারছেন না। সে কারণে দাম অনেকটাই বেড়েছে।’’

Advertisement

একই অবস্থা দুর্গাপুরের চণ্ডীদাস বাজারেও। সেখানকার ব্যবসায়ী প্রদীপ পাল জানান, প্রায় প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা করে বেড়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘অনেক খদ্দেরই এসে সব্জির দাম শুনে হকচকিয়ে যাচ্ছেন।’’ একই পরিস্থিতি বেনাচিতি বাজার, দুর্গাপুর স্টেশন বাজারেও। চণ্ডীদাস বাজারে সব্জি কিনতে গিয়েছিলেন শহরের এ-জোনের বাসিন্দা অভিজিৎ ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘‘বেশ কয়েক দিন পরে বাজারে এলাম। সব্জির দাম শুনে চোখ কপালে উঠে গেল।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement