জট কাটল হিন্দি কলেজে

ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে জট কাটিয়ে অবশেষে আসানসোলের হিন্দি কলেজের ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হতে চলেছে। আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ (এডিডিএ)-এর এক জন ভারপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার সেই কাজ দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে সম্মত হওয়ায় আপাতত এই জট কেটেছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০০:৪৭
Share:

ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে জট কাটিয়ে অবশেষে আসানসোলের হিন্দি কলেজের ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হতে চলেছে। আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদ (এডিডিএ)-এর এক জন ভারপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার সেই কাজ দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে সম্মত হওয়ায় আপাতত এই জট কেটেছে।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অনুমোদিত এই হিন্দি কলেজে আগামি শিক্ষাবর্ষেই পঠনপাঠন শুরুর কথা। প্রায় সাড়ে তিন হাজার বর্গফুট জমিতে ৯৬ লক্ষ টাকা খরচ করে এই ভবন গড়া হচ্ছে। প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে ওই ভবন নির্মাণ বন্ধ রয়েছে। প্রধান কারণ, কাজ দেখাশোনার জন্য আসানসোল পুরসভার যে ইঞ্জিনিয়ারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তিনি আচমকা কাজ করতে অনীহা দেখান। মুশকিলে পড়ে যান ভবন নির্মানের তত্ত্বাবধানে থাকা আসানসোলের বিবি কলেজ কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করে পঠনপাঠন শুরু হবে কি না, সে নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। ইঞ্জিনিয়ার পেতে কলেজ কর্তৃপক্ষ এডিডিএ-র দ্বারস্থ হন। বিবি কলেজের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক অমলেশ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমরা এডিডিএ থেকে এক জন ইঞ্জিনিয়ার পেয়েছি। দু’এক দিনের মধ্যেই নির্মাণকাজ শুরু হবে।’’

ওই ভবন নির্মাণ দেখাশোনার জন্য কী ভাবে পুরসভার এক জন ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়োগ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে বিশদ খোঁজখবর শুরু করেছেন পুর কর্তৃপক্ষ। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, অর্থের বিনিময়ে পুরসভার কোনও ইঞ্জিনিয়ার একটি স্বয়ংশাসিত সংস্থায় নির্মাণের কাজ দেখাশোনা করতে পারেন না। তা বেনিয়ম। জানা গিয়েছে, নতুন পুরবোর্ড ক্ষমতায় আসার পরেই তা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এর পরেই ওই ইঞ্জিনিয়ার নির্মাণকাজ দেখাশোনা করতে অস্বীকার করেন। মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, ‘‘আমরা খোঁজখবর নিয়ে জেনেছি পুরসভার এক জন ইঞ্জিনিয়ার কোনও ভাবেই পারিশ্রমিকের বিনিময়ে অন্য কাজ করতে পারেন না। আমরা তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ যদিও ওই ইঞ্জিনিয়ার অচিন্ত্য বারুই বলেন, ‘‘আমি এখনও এমন কোনও নোটিস পাইনি।’’

Advertisement

জল দফতরের ওই ইঞ্জিনিয়ারের দাবি, কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য খরচ বাবদ বার তিনেক তাঁকে হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া আর কখনও কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও পারিশ্রমিক নেননি তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement