হস্তচালিত তাঁত বাঁচাতে উদ্যোগ

জেলা তন্তুবায় সমবায় সম্মেলন হয়ে গেল পূর্বস্থলী ১ ব্লকের শ্রীরামপুরে। রবিবার তন্তুজের আঞ্চলিক গুদাম চত্বরে আয়োজিত ওই সম্মেলনে ছিলেন জেলার বিভিন্ন তাঁত সমবায়ের সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধিরা। সেখানে সংগঠনের তরফে হস্তচালিত তাঁত শিল্পের মুখ থুবড়ে পড়ার কিছু কারণ তুলে ধরা হয়। যেমন, হস্তচালিত তাঁতের জন্য সংরক্ষিত বস্ত্র অবাধে পাওয়ার লুমে তৈরি, ব্যাঙ্ক ঋণে বেশি সুদের হার, সরকারি ভর্তুকি বন্ধ হয়ে যাওয়া, সুতোর দাম বাড়া ইত্যাদি। এগুলি প্রতিরোধে বেশ কিছু প্রস্তাবও দেওয়া হয় সম্মেলনে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০১৪ ০১:৩৯
Share:

সম্মেলনে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। নিজস্ব চিত্র।

জেলা তন্তুবায় সমবায় সম্মেলন হয়ে গেল পূর্বস্থলী ১ ব্লকের শ্রীরামপুরে। রবিবার তন্তুজের আঞ্চলিক গুদাম চত্বরে আয়োজিত ওই সম্মেলনে ছিলেন জেলার বিভিন্ন তাঁত সমবায়ের সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধিরা। সেখানে সংগঠনের তরফে হস্তচালিত তাঁত শিল্পের মুখ থুবড়ে পড়ার কিছু কারণ তুলে ধরা হয়। যেমন, হস্তচালিত তাঁতের জন্য সংরক্ষিত বস্ত্র অবাধে পাওয়ার লুমে তৈরি, ব্যাঙ্ক ঋণে বেশি সুদের হার, সরকারি ভর্তুকি বন্ধ হয়ে যাওয়া, সুতোর দাম বাড়া ইত্যাদি। এগুলি প্রতিরোধে বেশ কিছু প্রস্তাবও দেওয়া হয় সম্মেলনে।

Advertisement

অনুষ্ঠানে ছিলেন রাজ্যের ক্ষুদ্র, কুটির ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা সভাধিপতি দেবু টুডু, পূর্বস্থলী ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিলীপ মল্লিক প্রমুখ। হস্তচালিত তাঁতের দুর্দশা কাটাতে স্বপনবাবুর আশ্বাস, “সরকারি উদ্যোগে এ বছর প্রায় দশ লক্ষ শাড়ি, ধুতি, চাদর বোনানো হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্গাপুজো, ঈদ, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র সব জায়গায় ওই জিনিসগুলি কাজে লাগানো হবে। ভাল মজুরিও পাবেন তাঁত শিল্পীরা।” এছাড়া জেলার বন্ধ হয়ে যাওয়া তাঁত সমবায়গুলি খুলতে চাইলে সরকারি ভাবে তাদের সাহায্যও করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এর সঙ্গেই মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, তাঁত ছাড়া কোনও তন্তুবায় সমিতিকে কাজের বরাত দেওয়া হবে না। এবং উৎপাদিত সামগ্রী পরীক্ষা করে নেওয়া হবে। কোনওরকম দুর্নীতি ধরা পড়লেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভাধিপতিও জেলা পরিষদের তরফে সাধারণ তাঁতিদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement