—প্রতীকী চিত্র।
রাজ্যে পালাবদলের পরে ভোট-পরবর্তী হিংসা রুখতে বার বার বার্তা দিচ্ছেন বিজেপির তাবড় নেতৃত্ব। তবে তার পরেও নানা অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে দলের নির্দেশ অমান্য করে যাঁরা ‘হুজ্জুতি’ করছেন এবং যাঁরা ‘হঠাৎ বিজেপি’ হয়ে নানা কাণ্ড ঘটাচ্ছেন, তাঁদের চিহ্নিত করতে তিন জনের কমিটি গড়ল রাজ্য বিজেপি।
বিধায়ক, সাংগঠনিক নেতাদের নিয়ে মঙ্গলবার বিধাননগরে বিজেপির রাজ্য দফতরে বৈঠকে ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাস নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিজেপির মূল্যায়ন, ভোটের ফলপ্রকাশের দিন তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের প্রবণতা স্পষ্ট হতেই কেউ কেউ গেরুয়া আবির মেখে হঠাৎ বিজেপি হয়ে গিয়ে নানা অশান্তি তৈরি করছেন। তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণও কাজ করছে। সূত্রের খবর, ‘হঠাৎ বিজেপি’-দের রুখতে বৈঠক থেকেই প্রাক্তন সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী, দলের রাজ্য নেতা অমিতাভ রায় ও যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ’কে নিয়ে কমিটি গড়া হয়েছে। দলের এক নেতা বলেছেন, “মানুষ তৃণমূলের যে দাদাগিরি, অত্যাচারের বিরুদ্ধে আমাদের ভোট দিয়েছেন, তা ফের ঘটলে মানুষ অসন্তুষ্ট হবেন।”
তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ অবশ্য বলেছেন, “২০১১, ২০২১-এ আমরা সৌজন্যের রাজনীতি করেছিলাম। বিজেপির শীর্ষ নেতাদের একাংশ সদর্থক বার্তা দিলেও তা নীচের তলায় পৌঁছচ্ছে না। নব্য বিজেপির লোকজন নিজেদের উগ্রতা প্রমাণ করতে শীর্ষ নেতাদের কথা শুনছেন না।”
সূত্রের খবর, দলের বৈঠকে বলা হয়েছে, বিজেপিতে আপাতত যোগদান-পর্ব হবে না। পরে কেউ দলে যোগ দিতে চাইলে বিজেপির জেলা সভাপতির মাধ্যমে রাজ্যের সাধারণ সম্পাদকদের কাছে আবেদন করতে হবে। তার পরে দলের শীর্ষ কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। পাশাপাশি, ‘দখলদারির রাজনীতি’ করা যাবে না। দলের জয়ী, পরাজিত প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট বিধানসভায় ঘুরে প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে এই সংক্রান্ত অভিযোগ মেটাতে হবে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে