টুকরো খবর

আপাত প্রমাণ হাতের কাছে মজুত। সিসিটিভি-র ফুটেজ ও কণ্ঠস্বরের রেকর্ডিংও হাতে। তবু আরও আঁটঘাট বাঁধার জন্য সময় চাইছে পুলিশ। সেই কারণে সোনালি-কাণ্ড নিয়ে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে আদালতের কাছে সময় চাইল তারা। গত ১১ ডিসেম্বর ওই ঘটনা নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালত পুলিশকে বলেছিল, তদন্ত করে ৩০ ডিসেম্বর রিপোর্ট দিতে হবে। নির্দেশ মতো পুলিশ মঙ্গলবারই তদন্ত-রিপোর্ট জমা দেয়।

Advertisement
শেষ আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৩:১০
Share:

সোনালি-কাণ্ডে আদালতে সময় চাইল পুলিশ

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

আপাত প্রমাণ হাতের কাছে মজুত। সিসিটিভি-র ফুটেজ ও কণ্ঠস্বরের রেকর্ডিংও হাতে। তবু আরও আঁটঘাট বাঁধার জন্য সময় চাইছে পুলিশ। সেই কারণে সোনালি-কাণ্ড নিয়ে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে আদালতের কাছে সময় চাইল তারা। গত ১১ ডিসেম্বর ওই ঘটনা নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালত পুলিশকে বলেছিল, তদন্ত করে ৩০ ডিসেম্বর রিপোর্ট দিতে হবে। নির্দেশ মতো পুলিশ মঙ্গলবারই তদন্ত-রিপোর্ট জমা দেয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন যে সব ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব এখনও শেষ হয়নি। ঘটনার দিন যে সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইলে রেকর্ড করা কণ্ঠস্বর ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল, তার রিপোর্টও আসেনি। বিভিন্ন সাক্ষ্যপ্রমাণ এবং ওই ফরেন্সিক রিপোর্ট হাতে এলেই পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে বলে পুলিশ আদালতের কাছে সময় চায়। সোমবারই পুলিশি তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন চিকিৎসক নগেন্দ্র রাই। সোনালি গুহ-সহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে পুলিশকে এফআইআর করার জন্য আবেদন করেন তিনি। ঘটনার তদন্তভার সিআইডি-কে দেওয়ার আর্জিও জানান। কিন্তু আদালত বিষয়টিকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনাধীন রেখে পঞ্চম অতিরিক্ত দায়রা বিচারকের এজলাসে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

Advertisement

কমিশনে যাবেন লক্ষ্মণ

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

তাঁর সদ্য ছেড়ে-আসা দল ন্যাশনাল কনফেডারেসি অব ইন্ডিয়ার কাজকর্মের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে চলেছেন প্রাক্তন সাংসদ লক্ষ্মণ শেঠ। ওই দলের সর্বভারতীয় সভাপতি কৃষ্ণমোহন এবং সাধারণ সম্পাদক অরুণ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার কথাও ভাবছেন তিনি। লক্ষ্মণবাবুর অভিযোগ, সভাপতি তাঁর আসল নাম গোপন করে দল চালাচ্ছেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের নামও কখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি। সামরিক বাহিনী বা সন্ত্রাসবাদী সংগঠন ছাড়া কোথাও এমন হয় কি, প্রশ্ন তুলেছেন লক্ষ্মণবাবু। তিনি মঙ্গলবার জানান, এনসিআইয়ের নেতৃত্ব তাঁদের বহিষ্কারের কথা বলার আগেই গত ১০ ডিসেম্বর লক্ষ্মণবাবুরাই ওই দল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। যে অগণতান্ত্রিক এবং বেআইনি পথে এনসিআই তাদের রাজ্য কমিটি ভেঙে দিয়েছে, তার বিরুদ্ধেই কমিশনে রিপোর্ট করতে চলেছেন লক্ষ্মণবাবুরা। আপাতত ‘ভারত নির্মাণ পার্টি’ গড়ে তাঁদের রাজনৈতিক কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাঁরা। এনসিআইয়ের নেতৃত্ব অবশ্য বলেছেন, সৎ সাহস থাকলে যে কোনও জায়গায় লক্ষ্মণবাবুরা অভিযোগ করতে পারেন। তাঁরা জবাব দেওয়ার জন্য তৈরি আছেন।

সুদীপ স্থিতিশীল

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে। সংসদ চলাকালীন তিনি অসুস্থ হন। দিল্লিতে চিকিৎসার পরে কলকাতায় এনে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, সাংসদের অবস্থা এখন স্থিতিশীল।

পাকিস্তানের এক বিক্রেতার সঙ্গে বাবুল সুপ্রিয়। মঙ্গলবার কলকাতায় শিল্প-বাণিজ্য মেলায়। —নিজস্ব চিত্র

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement