টুকরো খবর

অনুপ্রবেশ এবং পাচার রুখতে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। শুক্রবার বাংলাদেশের যশোহরের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দফতরে প্রশাসনিক বৈঠকের পরে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। যশোহরের ডেপুটি কমিশনার হুমায়ুন কবীর বৈঠক শেষে বলেন, “বাংলাদেশ থেকে অনেক গরিব মানুষ চিকিৎসার মতো বিশেষ প্রয়োজনেও চোরাপথে ভারতে ঢোকেন।

Advertisement
শেষ আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:১৯
Share:

নজরদারি বাড়াতে

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার আধিকারিকদের সঙ্গে সীমান্তে নজদারি বাড়ানোর
বিষয়ে আলোচনা করছেন উত্তর ২৪ পরগনার আধিকারিকরা।
উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দফতরে।—নিজস্ব চিত্র।

Advertisement

অনুপ্রবেশ এবং পাচার রুখতে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। শুক্রবার বাংলাদেশের যশোহরের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের দফতরে প্রশাসনিক বৈঠকের পরে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। যশোহরের ডেপুটি কমিশনার হুমায়ুন কবীর বৈঠক শেষে বলেন, “বাংলাদেশ থেকে অনেক গরিব মানুষ চিকিৎসার মতো বিশেষ প্রয়োজনেও চোরাপথে ভারতে ঢোকেন। ধরা পড়ার পরে বাংলাদেশ সরকারকে জানালে সঙ্গে সঙ্গেই পুশ-ব্যাক করে নেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে।”

রাজ্যপালের কাছে আরএসএস

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার অভিযোগ তুলে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর দ্বারস্থ হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)। সঙ্ঘের অভিযোগ, বারুইপুর এবং গোসাবা থানার ওসি তাদের কর্মীদের প্রকাশ্যে শাখার অনুশীলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। বারুইপুরে এক জন সঙ্ঘ কর্মীর বাড়িতে ঢুকে শাখার কাজে বাধা দিয়েছে পুলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ সুপারের কাছে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানিয়েও ফল হয়নি। আরএসএস মুখপাত্র জিষ্ণু বসু বলেন, “সারা দেশে প্রতি দিন আমাদের ৪৪ হাজার ৯৮২টি শাখা চলে। একমাত্র জরুরি অবস্থার সময় ছাড়া আর কখনও কোথাও পুলিশ-প্রশাসনের কাছ থেকে আমরা এমন নির্দেশ পাইনি।” আরএসএসের অভিযোগ, শাসক দলের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্যই পুলিশের এ হেন আচরণ। এর প্রতিকার চাইতে বৃহস্পতিবার তাদের এক প্রতিনিধিদল রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে। এ দিন রাজ্যপালকে অভিযোগগুলি জানিয়ে চিঠিও দিয়েছে সঙ্ঘ।

ধর্মঘটে সামিল সিটু

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

গ্রাম বাংলা ধর্মঘটকে এ বার সমর্থন করল সিটুও। শুক্রবার সিটুর রাজ্য সভাপতি শ্যামল চক্রবর্তী জানান, ২৬ নভেম্বর কৃষকদের পাশাপাশি গ্রামের অসংগঠিত শ্রমিকেরাও তাঁদের দাবি-দাওয়া আদায়ের জন্য ধর্মঘট করবেন। গ্রামে বিভিন্ন ছোট কারখানায় যুক্ত অসংগঠিত শ্রমিকরাও ধর্মঘটে সামিল হবেন।

সভাস্থল নিয়ে বিজেপি ফের আদালতে

নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

কিছু প্রশ্ন তুলে বিজেপির ৩০ নভেম্বরের সভার স্থল নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলিয়ে রাখল কলকাতা পুলিশ। যার ফলে ফের আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য বিজেপি। ৩০ নভেম্বর দলের ‘উত্থান দিবস’-এ ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের সভা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের টানাপড়েন গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির নির্দেশে বৃহস্পতিবার দু’পক্ষের বৈঠকেও জট কাটেনি। শুক্রবার কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুরজিৎ কর পুরকায়স্থের সই করা ফ্যাক্স বার্তা পৌঁছয় বিজেপি দফতরে। তার নির্যাস সভার জন্য কলকাতা পুরসভার কমিশনার এবং দমকলের অধিকর্তার ছাড়পত্র থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বিজেপি সেই সংক্রান্ত নথি দেখাতে পারেনি। তা ছাড়া, ওই সভায় কত লোক হবে, মঞ্চসজ্জা কেমন হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেনি তারা। তাই ৩০ নভেম্বরের সভাস্থল নিয়ে তাদের আবেদন বিষয়ে এখনই নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে না। পুলিশের এমন আচরণকে আসলে অনুমতি না দেওয়ারই অছিলা বলে মনে করছে বিজেপি। তারা ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে সোমবার। দলের রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহ বলেন, “পুরসভা এবং দমকলের ছাড়পত্র আগে কখনও প্রয়োজন হত না। আসলে সরকার বিজেপি-কে গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে দিতে চায় না। পুলিশের মাধ্যমে সেই বার্তাই তারা দিচ্ছে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement