একেবারে ডান দিকে রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল। ছবি: সংগৃহীত।
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন, ভোটের সময়ে তা বজায় রাখার জন্য কী প্রস্তুতি রয়েছে, সেই নিয়ে রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে সোমবার বৈঠকে বসলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসার পরে কী ভাবে তাদের কাজে লাগানো যাবে, সেই আলোচনা হয়েছে।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, সিইও-র সঙ্গে কমিশনের পক্ষে বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের অতিরিক্ত সিইও, যুগ্ম সিইও। ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযুষ পাণ্ডে, ডিজি (আইনশৃঙ্খলা) বিনীত গোয়েল, কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার, সিআরপিএফের আইজি-সহ আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকেরা।
সূত্রের খবর, বৈঠকে স্থির হয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এলে তাদের বসিয়ে রাখা যাবে না। সরাসরি পাঠাতে হবে কাজের জায়গায়। সময় অপচয় করলে চলবে না। সিআরপিএফ কোথায় যাচ্ছে, তাতে নজর রাখবেন পর্যবেক্ষকেরা। তথ্যগত অসঙ্গতির কাজে নিযুক্ত বিচারকদের সুরক্ষা দেবে রাজ্য।
বিধানসভা ভোটের তারিখ ঘোষণার আগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন। দু’দফায় ওই বাহিনী মোতায়েন করা হবে। আগামী ১ মার্চ প্রথমে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে আসবে। পরে ১০ মার্চ বাকি বাহিনী মোতায়েন হবে রাজ্যে। কমিশনের নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে রাজ্য প্রশাসনকে চিঠি পাঠিয়ে ভোটের আগেই প্রাথমিক ভাবে রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের কথা জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে যে চিঠি পাঠিয়েছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, ১ মার্চের মধ্যে ১১০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ৫৫ কোম্পানি বিএসএফ, ২৭ কোম্পানি আইটিবিপি, ২৭ কোম্পানি এসএসবি এবং ২১ কোম্পানি সিআইএসএফ অর্থাৎ মোট ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছোবে রাজ্যে। দ্বিতীয় দফায় ১০ মার্চের মধ্যে পৌঁছোবে আরও ২৮০ কোম্পানি— ১২০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ৬৫ কোম্পানি বিএসএফ, ২০ কোম্পানি আইটিবিপি, ১৯ কোম্পানি এসএসবি।