—ফাইল চিত্র।
আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই পরিবর্তন আসতে চলেছে তৃণমূলের সংসদীয় দলে। দলীয় সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী রাজ্যসভার এক ঝাঁক সাংসদ এ বার বিধানসভা ভোটে টিকিট পেতে চলেছেন। ভোটে জিতলে তাঁদের মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে রাজ্যসভায় দেখা যেতে পারে একাধিক নতুন মুখ।
সূত্রের খবর, যাঁরা বিধানসভা ভোটে টিকিট পেতে পারেন তাঁদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েকটি সংসদীয় অধিবেশনে ঋতব্রত উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন বিষয়ে বক্তৃতায়, সংসদ চত্বরের আন্দোলনে এবং নিয়মিত বিভিন্ন মন্ত্রকে লিখিত প্রশ্ন করে কোণঠাসা করার চেষ্টা জারি রেখেছেন কেন্দ্রকে। রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে পূর্ণ মেয়াদ তিনি পাননি। আরজি কর কাণ্ডের পরে জহর সরকার পদত্যাগ করায় সেই আসনে সওয়া এক বছরের জন্য ঋতব্রত নির্বাচিত হয়েছিলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। স্বাভাবিক ভাবে তাঁকে আবার ফিরিয়ে আনতে চাইত তৃণমূল, যদি না রাজ্যে কোনও মন্ত্রকের দায়িত্বের কথা তাঁর জন্য ভাবা হত। সূত্রের খবর তাঁকে বিধানসভায় লড়ানো এবং জিতলে মন্ত্রী হিসেবেই দেখতে চাইছেনদলীয় নেতৃত্ব।
একই ভাবে প্রকাশ চিক বারাইক এবং সামিরুল ইসলামকে তাঁদের মেয়াদ শেষের আগেই বিধানসভায় নিয়ে আসা হবে বলে শোনা যাচ্ছে। জিতলে তাঁদেরও মন্ত্রী করার চিন্তাভাবনা রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। শীঘ্রই রাজ্যসভার বিজ্ঞপ্তি জারি হবে বাংলার পাঁচটিরাজ্যসভা পদে। সুব্রত বক্সী, সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং মৌসম নূরের পদগুলি খালি হচ্ছে। অঙ্কের হিসাবে বিকাশের আসনটি যাবে বিজেপির কাছে। তৃণমূল সূত্রের খবর, দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী ফের দাঁড়াবেন কি না, তা একান্ত ভাবেই তাঁর নিজের উপরে নির্ভর করছে। অর্থাৎ নিজের শরীর স্বাস্থ্য এবং রাজ্যে কতটা সময় তাঁকে দিতে হবে, সেই হিসাবের উপরে। সাকেত গোখলের ফের পদ পাওয়ার সম্ভাবনা কমই ছিল। কিন্তু একসঙ্গে এত পদ রাজ্যসভায় খালি হলে, তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথাভাবা হতেও পারে। মৌসম দলত্যাগ করায় ওই আসনে নতুন প্রার্থী দিতে হবে তৃণমূলকে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে