(বাঁ দিকে) নরেন্দ্র মোদী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উত্তরবঙ্গ সফরের ২৪ ঘণ্টার মাথায় শুক্রবার ফের সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদীর সভার প্রেক্ষিতে ‘অসত্য প্রচারে’র অভিযোগ তুলেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে রাজ্য সরকারকে বিঁধেছিলেন। সে দিনই নবান্ন থেকে তার জবাব দিয়েছিলেন মমতা। এ বার আলিপুরদুয়ারের জন্য রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সবিস্তার তালিকা দিয়ে এক্স হ্যান্ডলে মোদীকে নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মমতা এ দিন লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দিক থেকে ডাহা মিথ্যা কথা বলা হয়েছে।’ সেই সঙ্গে, ওই দিন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ক্ষমতার লোভে আলিপুরদুয়ারে ‘অসত্য প্রচার’ এবং রাজ্যের পদক্ষেপগুলি খাটো করে দেখানোর চেষ্টা হয়েছে বলেও তাঁর অভিযোগ। মমতার সংযোজন, ‘আমরা মানুষের ভাল করার চেষ্টা করি। ধর্ম-সম্প্রদায় বা বর্ণের ভিত্তিতে সঙ্কীর্ণ মানসিকতা নিয়ে মানুষকে ভাগ করি না।’
এই সূত্রেই স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জন-পরিষেবার মতো সব ক্ষেত্রেই তাঁর সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেছেন মমতা। তিনি জানিয়েছেন, এই জেলায় ১৭টি সামাজিক প্রকল্পে বিপুল উপভোক্তা রয়েছেন। ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে বাড়ি নির্মাণ, ৩৭ হাজার পাট্টা দেওয়া, ‘কর্মশ্রী’র মাধ্যমে বহু মানুষের কর্মদিবস তৈরি, বন্ধ ৮টি চা বাগান খোলা, চা-শ্রমিকদের ২৯৬৯টি পরিবারকে বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার মতো নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, আরও ১৪ হাজার উপভোক্তাকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়েছে। এলাকায় ১৪১০৫টি এমএসএমই ইউনিটে ৩৮ হাজার কর্মসংস্থান হয়েছে। পর্যটন, রাজবংশী-কামতাপুরি, জনজাতি উন্নয়ন—সবই হয়েছে ধাপে ধাপে।
পাল্টা সরব হয়েছেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা। তিনি বলেছেন, “কেন্দ্রের প্রকল্প নিজেদের নামে চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। এটা নাম-বদলের সরকার। এদের সঙ্গে উন্নয়নের কোনও সম্পর্ক নেই। টাকা ছড়িয়ে ভোটে জিততে চায়।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে