প্রদেশ নির্বাচন কমিটির বৈঠকে কংগ্রেস নেতারা। বিধান ভবনে। ফাইল চিত্র।
ভোটার তালিকা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই বিধানসভা ভোটের জন্য ঘর গোছানোর কাজ এগোতে চাইছে বাম ও কংগ্রেস। আসন সমঝোতা পাকা করার লক্ষ্যে বামফ্রন্টের শরিক ও বাইরের দলগুলির সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা চালাচ্ছে সিপিএম। পাশাপাশিই, প্রার্থী তালিকা ঠিক করার জন্য কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতিকে আনুষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে প্রদেশ নির্বাচন কমিটির (পিইসি) তরফে।
প্রদেশ কংগ্রেসের দফতর বিধান ভবনে সোমবার পিইসি বৈঠকে ছিলেন এআইসিসি-র পর্যবেক্ষক গুলাম আহমেদ মীর, দলের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী, ওয়ার রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা বি পি সিংহ এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ দলের প্রদেশ নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, পিইসি সদস্যদের রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের তালিকা দিয়ে প্রার্থীদের নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়েছে। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে সর্বভারতীয় সভাপতি নেবেন, রেওয়াজ মেনে সেই প্রস্তাবও পাশ হয়েছে বৈঠকে। কংগ্রেস সূত্রের খবর, এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক মীর বৈঠকে বলেছেন, ভোটমুখী অন্যান্য রাজ্যের থেকে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি আলাদা। এখানে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি, প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষের নাম ‘বিবেচনাধীন’। কবে বিধানসভা ভোট হবে, এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সাংগঠনিক ভাবে তাঁরা ভোটের প্রস্তুতি সেরে রাখতে চাইছেন বলে মীর মন্তব্য করেছেন। প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি অধীর বৈঠকে আহ্বান জানিয়েছেন, কঠিন পরিস্থিতিতে কংগ্রেস রাজ্যে একক ভাবে লড়াই করতে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে কে কার লোক, কে পছন্দের বা কে অপছন্দের— সে সব বিবেচনা সরিয়ে ‘যোগ্য’ প্রার্থীদের কথাই ভাবা হোক।
অন্য দিকে, বাম শরিক ফরওয়ার্ড ব্লকের সঙ্গে ২২টি আসনের নিষ্পত্তি করে ফেলেছে সিপিএম। আরও কয়েকটি আসনের দাবি জানাচ্ছে ফ ব। আর এক শরিক আরএসপি-ও ১৩ আসনে থেমে থাকতে রাজি নয়। সিপিআইয়ের জন্য ১৮টি আসন নির্ধারিত হওয়ার পরেও আলোচনা চলছে। পাশাপাশি, আইএসএফের কিছু আসনের দাবি নিয়ে জট কাটেনি। দু’দিনের মধ্যে ফের আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বাম সূত্রের খবর।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে