বিজেপির আবার ভাল-খারাপ কী, প্রশ্ন তুলল কংগ্রেস

অধীরবাবু এ দিন বলেন, ‘‘আমাদের কাছে বিজেপি এবং আরএসএস মানে বিপদ। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বোঝানোর চেষ্টা করছেন, কে ভাল বিজেপি, কে খারাপ বিজেপি। আমাদের কথা হল, এক গাছে দু’রকম আম হয় না! উনি স্পষ্ট করে বলুন, লোকসভা ভোটের পরে কোনও ভাবেই বিজেপির দিকে যাবেন না।’’

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ অগস্ট ২০১৮ ০৫:৫০
Share:

লোকসভা ভোটের পরে কোনও পরিস্থিতিতেই তারা বিজেপিকে সমর্থন করবে না, তৃণমূলের কাছ থেকে এমন স্পষ্ট ঘোষণার দাবি তুলল কংগ্রেস। মহাজাতি সদনে মঙ্গলবার ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী থেকে এআইসিসি-র তরফে বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা গৌরব গগৈ বিজেপির পাশাপাশি তৃণমূলকেও নিশানা করেছেন। গৌরবের সহকারী হিসেবে সদ্যনিযুক্ত এআইসিসি-র তিন সম্পাদক শরৎ রাউত, বি পি সিংহ এবং মহম্মদ জাওয়াদও এ দিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতেই ছাত্র পরিষদের দু’দল সমর্থকের মধ্যে বচসা ও মারামারিও হয়েছে!

Advertisement

অধীরবাবু এ দিন বলেন, ‘‘আমাদের কাছে বিজেপি এবং আরএসএস মানে বিপদ। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বোঝানোর চেষ্টা করছেন, কে ভাল বিজেপি, কে খারাপ বিজেপি। আমাদের কথা হল, এক গাছে দু’রকম আম হয় না! উনি স্পষ্ট করে বলুন, লোকসভা ভোটের পরে কোনও ভাবেই বিজেপির দিকে যাবেন না।’’ প্রদেশ নেতাদের অভিযোগ, নিজেদের স্বার্থেই তৃণমূল বিজেপির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মেরুকরণের রাজনীতি করছে। তার পরে আবার তৃণমূল মুখে বিজেপি-বিরোধিতার কথা বলছে। সদ্য উত্তরবঙ্গ সফর সেরে আসা গৌরব বলেন, ‘‘সংগঠনকে নিজের পায়ে দাঁড় করানোই আমাদের লক্ষ্য। আমরা জানি, কংগ্রেস কর্মীরা তৃণমূলের হাতে মার খাচ্ছেন। আপনাদের লড়াইয়ে আমরাও আছি। আপনারা পুলিশের লাঠি খেলে আমিও আপনাদের সঙ্গে পথে নেমে লাঠি খেতে রাজি!’’

গৌরব এ দিন বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, বাংলার কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের আর দিল্লির মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে না। এআইসিসি-ই রাজ্যের প্রয়োজনে এগিয়ে আসবে। সেই কারণেই কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধী চার জনকে বাংলায় দলের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দিয়েছেন। তাঁরা পালা করে মাসে বেশ কয়েক দিন রাজ্যে থাকবেন। ছাত্র পরিষদের সভায় এ দিন ছিলেন সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যও।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement