—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
ভাড়া বাড়ি থেকে বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। মঙ্গলবার রাতে অরশ্রী মার্কেট সংলগ্ন শান্তিনিকেতনের সীমান্তপল্লি এলাকার ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম নভনীল গায়েন (২৫), তাঁর বাড়ি কলকাতার গড়িয়ায়। তবে কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন সকলেই।
নভনীল কলাভবন থেকে ভাস্কর্য বিষয়ে স্নাতক করেছিলেন। পরে তিনি বিশ্ববাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু তা সম্পূর্ণ করেননি। পাশাপাশি, শিল্পকলার বিভিন্ন কাজেও তিনি যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন বলে বন্ধু মহলে জানা গিয়েছে। পড়াশোনার কারণেই দীর্ঘদিন শান্তিনিকেতনের সীমান্তপল্লি এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই নভনীলকে বাড়ির বাইরে দেখা যায়নি। দুপুর থেকে তাঁর খোঁজ মিলছিল না। তাঁর মোবাইলেও যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। সন্ধ্যায় কয়েক জন বন্ধু তাঁর খোঁজ নিতে বাড়িতে যান। সেখানে ঘরের ভিতরে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান বন্ধুরা।
খবর পেয়ে শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে বোলপুর মহকুমাহাসপাতালে ময়না তদন্তে পাঠায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া একটি সুইসাইড নোটে লেখা রয়েছে, তাঁর মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নন। বুধবার সকালে নভনীলের পরিবার ও তাঁর সহপাঠীরা হাসপাতালে পৌঁছন। নভনীলের বাবা-মা দু’জনেই অসুস্থ, তিনি ছিলেন দম্পতির একমাত্র সন্তান। এমন ঘটনার কারণ নিয়ে সকলেই ধন্দে আছেন।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারিতেও সীমান্তপল্লি এলাকা থেকেই কলাভবনের এক প্রাক্তন গবেষক ছাত্রের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। ফের এমন ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, অবসাদের কারণে এমন হতে পারে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। বুধবার বিকেল পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে