বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। —ফাইল চিত্র।
কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অধীনে রাজ্যে কী কী শিল্প গড়ে উঠেছে, মঙ্গলবার লোকসভায় সেই প্রশ্নই করেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তার জবাব দেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য এবং শিল্প মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ। অন্য দিকে, পশ্চিমবঙ্গে তাজপুর বন্দরের ‘অচলাবস্থার’ কথা তুলে ধরেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। সেই বন্দরের কাজ যে বন্ধ, তা কেন্দ্রীয় সরকার জানে কি না, প্রশ্ন করেন তিনি। জবাবে কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত।
প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (পিএলআই) প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের ১০টি উৎপাদনকারী সংস্থা কী সুবিধা পেয়েছে এবং ইন্টিগ্রেটেড টেক্সটাইল পার্কস (এসআইটিপি) প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের দু’টি টেক্সটাইল পার্কের বিষয়ে জানতে চান জগন্নাথ। জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতিন জানান, পিএলআই প্রকল্পের আওতায় পশ্চিমবঙ্গের ১৩টি সংস্থা উপকৃত হয়েছে, যার ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগ আসছে এবং রাজ্যের উৎপাদন শিল্প আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়নে পশ্চিমবঙ্গে দু'টি বৃহৎ টেক্সটাইল পার্ক গড়ে উঠছে। প্রথমটি কলকাতায়, যেখানে অনুমোদিত ৪০ কোটি টাকার মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩১.৬১ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়টি হাওড়ার জগদীশপুরে। সেখানে অনুমোদিত ২৮.০৬ কোটি টাকার মধ্যে ২৫.২৫ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে।
অন্য দিকে, শমীক রাজ্যসভায় প্রশ্ন করেন, কেন তাজপুরে বন্দরের কাজ বন্ধ রয়েছে, তা কি কেন্দ্রীয় সরকার জানে? কেন দেরি হচ্ছে, সে বিষয়ে কি তারা অবহিত? প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় বন্দর ও জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল জানান, ২০২২ সালে ওই বন্দরের প্রকল্পের দায়িত্ব পায় আদানি গোষ্ঠী। ২০২২ সালের আদানি গোষ্ঠীর কর্ণধার গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানির হাতে সম্মতিপত্র তুলে দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর আবার ওই প্রকল্পের জন্য দরপত্র চেয়েছে সরকার।