—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
দেশে স্বচ্ছ প্রশাসনের ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রয়োগের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু তাতে দুর্নীতি পুরোপুরি রোখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নই উঠে এল কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীনস্থ সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব কমার্শিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিক্স আয়োজিত ‘এথিক্যাল গভর্ন্যান্স অ্যান্ড অ্যান্টি-করাপশন’ শীর্ষক আলোচনাসভায়। উঠে এল সাম্প্রতিক নিট ও সিবিএসই পরীক্ষায় দুর্নীতির প্রসঙ্গও। অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও অন্যতম বক্তা ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব জুরিডিক্যাল সায়েন্সেস-এর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর বনিতা পট্টনায়ক, দু’জনেই কার্যত একমত হলেন যে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা বলা হলেও তা দুর্নীতিকে পুরোপুরি রোধ করতে পারে না।
বনিতার বক্তব্য, শুধু ডিজিটাল প্রযুক্তি দিয়ে দুর্নীতি রোধ করা যাবে না। তার জন্য নৈতিক পদ্ধতি থাকা প্রয়োজন। সরকারি কাজে, পরিষেবায় ডিজিটাল প্রযুক্তি দিয়ে শুধু নিচুতলার দুর্নীতি ঠেকানো যেতে পারে। দুর্নীতি শুধু আর্থিক ব্যবস্থার উপরে প্রভাব ফেলে না, সরকারের উপরে নাগরিকদের আস্থা নড়িয়ে দেয় বলে মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ। বৃহস্পতিবার সাংসদের বক্তব্য, নৈতিক শাসন (এথিক্যাল গভর্ন্যান্স) প্রতিটি গণতান্ত্রিক সমাজের ভিত্তি। নৈতিক শাসন প্রতিষ্ঠা করতে গেলে শুধু মুখে ঘোষণা করলেই হবে না, মানুষের আস্থা অর্জন জরুরি। তাঁর বক্তব্য, গত দশ বছরে দেশে সরকারি কাজে ডিজিটাল প্রযুক্তি অভাবনীয় উন্নতি করেছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে