বড় স্টেশনে যাত্রীদের চিকিৎসা নিখরচায়

পশ্চিম রেল ব্যবস্থাটা চালু করে দিয়েছে বেশ কিছু দিন আগে। এ বার ট্রেন-সফরে বেরোনো যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করে যাত্রিসাধারণ এবং তাঁদের আত্মীয়পরিজনকে আশ্বস্ত করতে চলেছে পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেলও।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০১৯ ০৪:২৬
Share:

এ বার ট্রেন-সফরে বেরোনো যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেল।

পশ্চিম রেল ব্যবস্থাটা চালু করে দিয়েছে বেশ কিছু দিন আগে। এ বার ট্রেন-সফরে বেরোনো যাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করে যাত্রিসাধারণ এবং তাঁদের আত্মীয়পরিজনকে আশ্বস্ত করতে চলেছে পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেলও।

Advertisement

ওই দুই শাখারও গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলিতে ট্রেনে বা স্টেশনে অসুস্থ হয়ে পড়া যাত্রীদের নিখরচায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে ‘ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল রুম’ বা আপৎকালীন চিকিৎসা কক্ষ তৈরি করছে রেল। একক ভাবে নয়, বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই পরিষেবার বন্দোবস্ত করছে তারা। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে অসুস্থ যাত্রীর চিকিৎসা ছাড়াও প্রয়োজনে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা থাকবে স্টেশনে।

প্রাথমিক ভাবে পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ‘এ’ এবং ‘এ-১’ শ্রেণির স্টেশনে এই পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে। বিভিন্ন নামী বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই পরিকল্পনা রূপায়ণ করতে চাইছে রেল। পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক নিখিল চক্রবর্তী বলেন, ‘‘বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে রেলের মৌ বা সমঝোতাপত্র সইয়ের ভিত্তিতে এই প্রকল্প রূপায়ণ করা হবে।’’ দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সঞ্জয় ঘোষ জানান, এই ব্যবস্থায় যাত্রীরা উন্নত পরিষেবা পাবেন। বহু রেলকর্তার বক্তব্য, এতে ট্রেনযাত্রায় বেরোনোর আগে মানুষের দুর্ভাবনা অনেকটা কমবে। তাঁদের পরিবারও নিশ্চিন্ত থাকতে পারবে।

Advertisement

আরও পড়ুন: দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

পূর্ব ও দক্ষিণ–পূর্ব রেলে এ-১ শ্রেণির তিন স্টেশন হাওড়া, শিয়ালদহ, খড়্গপুরে আপৎকালীন চিকিৎসা কক্ষ চালু হচ্ছে। এ ছাড়াও সাঁতরাগাছি, দিঘা, বর্ধমান, ব্যান্ডেল, রামপুরহাট, কলকাতা, নৈহাটি, আসানসোল, দুর্গাপুর, নিউ ফরাক্কা, মালদহ টাউনের মতো স্টেশনেও ওই সুবিধা মিলবে। আপৎকালীন চিকিৎসা সংক্রান্ত পরিকাঠামো তৈরি এবং প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনে অসুস্থ যাত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করবে বেসরকারি সংস্থা।

কিন্তু বেসরকারি সংস্থা নিখরচায় পরিষেবা দিতে আগ্রহী হবে কেন? রেলকর্তাদের ব্যাখ্যা, বড় বড় স্টেশনে প্রতিদিন কয়েক লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করেন। সেখানে নিখরচায় পরিষেবা দিলে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি সংস্থার নাম প্রচার হবে। তাই অনেক বেসরকারি সংস্থাই এতে আগ্রহী হবে। পেশাদারি বেসরকারি সংস্থার পরিষেবার মানও বজায় থাকবে। এক রেলকর্তা জানান, পশ্চিম রেল এই মডেলে চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করে সাড়া পেয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement