Mamata Banerjee and Hawkers

হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে ধর্মতলায় তৃণমূলের প্রতিবাদ সভা, নেতৃত্ব দেবেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

ধর্মতলায় প্রতিবাদ সভার ডাক দিয়েছে তৃণমূল। বিকেল ৩টেয় কেশব দাসের মূর্তির সামনে থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। সেখানে উপস্থিত থেকে নিজেই সভার নেতৃত্ব দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬ ১৩:২৯
Share:

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে উত্তাপ বাড়ছে। এই বিষয়টিকে সামনে রেখে বুধবার ফের কলকাতার রাজপথে নামছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলায় প্রতিবাদ সভার ডাক দিয়েছে তৃণমূল। দুপুরে লেনিন মূর্তির পাদদেশ থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। সেখানে উপস্থিত থেকে নিজেই সভার নেতৃত্ব দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের অনুরোধেই এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। কলকাতা শহরের হকার সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে মদন মিত্রের। সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে হকারদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় তাঁরা প্রতিবাদ কর্মসূচির দাবি জানান। সেই দাবির প্রেক্ষিতেই মদন মিত্র বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে আনেন এবং পরে ধর্মতলায় প্রতিবাদ সভার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দলীয় সূত্রে খবর, দুপুর আড়াইটা নাগাদ ধর্মতলায় লেনিন মূর্তির পাদদেশে জমায়েত ও ছোট সভা হবে। পরে সেখান থেকে লেনিন সরণি ধরে মিছিল যাবে সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে। সেখানে বিধান রায়ের বাড়ির উল্টোদিকে একটি সভা করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। এর জন্য পুলিশের অনুমতিও মিলেছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

Advertisement

তৃণমূলের অভিযোগ, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় রেল হকার এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যায় ভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেছে দল। তৃণমূলের মতে, এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে হাজার হাজার মানুষের জীবিকা বিপন্ন হয়ে পড়ছে। সেই কারণেই হকারদের স্বার্থ রক্ষায় রাস্তায় নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিবাদ হিসাবেই নয়, এই আন্দোলনকে সাধারণ মানুষের রুজি-রুটির প্রশ্ন হিসাবেও তুলে ধরা হবে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত ও রাস্তার ধারে ছোট ব্যবসা করে বহু পরিবার সংসার চালান। যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে সেইসব পরিবারের উপর।

এদিকে, ধর্মতলার সভায় বিপুল সংখ্যক হকার, দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই হকার সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, হকার উচ্ছেদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের এই আন্দোলন আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক তরজাকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement