Ritabrata Banerjee

মমতার পরিষদীয় দল ভাঙিয়ে মমতাকেই পরামর্শদাতা হিসাবে চান ঋতব্রত! দাবি, অভিষেকের সঙ্গে সম্পর্কই নেই বিধানসভার

তৃণমূলের টিকিটে জয় পাওয়া দুই-তৃতীয়াং‌শ তৃণমূল বিধায়কই বিদ্রোহী হলেন বুধবার। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় নেতা হিসাবে সমর্থন করলেন তাঁরা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬ ২২:২৯
Share:

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির ঠিক এক মাসের মাথায় আনুষ্ঠানিক ভাঙন ধরল তৃণমূলে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়! ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের তিন সহকারী দলনেতার তালিকায় ঠাঁই পেলেন আর এক বিদ্রোহী সন্দীপন সাহা। তৃণমূল বিধায়কদের ‘সই-জালিয়াতি’র কথা স্পিকারকে লিখিত ভাবে জানানোর ‘অপরাধে’ সোমবার তাঁদের বহিষ্কার করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। ৪৮ ঘণ্টা পরে দেখা গেল, সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থনই রয়েছে ঋতব্রত-সন্দীপনদের দিকে!

Advertisement

ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে চেয়ে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে চিঠি দিয়েছিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহীরা। ঋতব্রত এবং সন্দীপন ছাড়া ওই চিঠিতে ৫৮ জন বিধায়কের সই রয়েছে। সেখানে শুধু বিরোধী দলনেতা নন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় কারা তৃণমূলের উপদলনেতা হবেন, তা-ও উল্লেখ করা হয়েছিল। ছিল সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন এবং শিউলি সাহার নাম। মুখ্যসচেতক হিসাবে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল আখরুজ্জামানের নাম। চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের সভানেত্রী বলে উল্লেখ করেন বিদ্রোহীরা।

বুধবার ৫৮ জন তৃণমূল বিধায়কের সমর্থনের চিঠি নিয়ে বিধানসভায় হাজির হন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত। একে একে অন্য বিধায়কেরাও পৌঁছোন। বিদ্রোহী বিধায়কেরা বিধানসভার কাউন্সিল চেম্বারে বৈঠক করেন। ঘণ্টা দেড়েকের বৈঠকের পর তাঁরা স্পিকারের ঘরে যান। ঋতব্রত এবং তাঁর শিবিরের তৃণমূল বিধায়কদের যুক্তিতে সন্তুষ্ট হয়ে স্পিকার নতুন বিরোধী দলনেতা এবং অন্য পদাধিকারীদের স্বীকৃতি দেন। নতুন বিরোধী দলনেতার জন্য বিধানসভার ঘর খুলে দেওয়া হয়। সেই ঘরে বসেই সাংবাদিক বৈঠক করেন বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কেরা।

Advertisement

মমতাই নেতা, দাবি ঋতব্রতদের

নতুন বিরোধী দলনেতা হওয়ার পরে ঋতব্রত জানিয়েছেন, তৃণমূলের টিকিটে জয় পাওয়া দুই-তৃতীয়াং‌শ বিধায়কই ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। তাঁরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। বিধানসভায় শাসক বিজেপির সঙ্গে লড়াই করবেন বলেও দাবি তাঁর। একদা সিপিএম এবং অধুনা তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত নেতা বলেন, ‘‘আপাতত ৫৮ জন। আরও দু’জন আছেন। তাঁরা এখন রাজ্যের বাইরে আছেন। তাঁদের সম্মতি রয়েছে। তাঁদের সমর্থন এলে এই সংখ্যা ৬০ হবে।’’ পাশাপাশি, তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হওয়ার আবেদন করেন ঋতব্রত। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের দূর-দূরান্তের সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারির সরকারের ‘ভাল কাজ’ সমর্থনের ঘোষণা করেছেন।

ঋতব্রত বুধবার বলেন, ‘‘মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক ডেকেছিলেন। তাঁকে ধন্যবাদ যে, বিরোধীদের নিয়ে তিনি বৈঠক করেছেন। কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনার বিরোধী বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। আমরা দায়িত্বশীল, সদর্থক বিরোধীর ভূমিকা পালন করব। সরকারের চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে। তাদের সদর্থক পদক্ষেপের প্রশংসাও করব।’’ ঋতব্রত আরও বলেন, ‘‘বাংলার মাটিতে মানুষ রায় দিয়েছেন আমাদের বিরোধী আসনের জন্য। সেটা মেনে নিতে হবে। আমি ‘বস্’ নই। আমি বসিংয়ে বিশ্বাসী নই। আমি আমরায় বিশ্বাস করি। সব সিদ্ধান্ত আলোচনা করে নেব আমরা।’’ ঋতব্রত গোষ্ঠীর বিধায়কেরা বৃহস্পতিবার দুপুরে আবার বৈঠকে বসবেন। সূত্রের খবর, বিধানসভা অধিবেশনের ‘রণকৌশল’ নিয়ে আলোচনা করবেন তাঁরা।

বিদ্রোহের ইতিকথা

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবের চিঠিকে কেন্দ্র করে তৃণমূলে বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে যে প্রস্তাব পাঠান তাতে অনেক তৃণমূল বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ঋতব্রত এবং সন্দীপন সাহাই সই জাল করার বিষয়টি বিধানসভাকে জানান। তার পরেই হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সেই তদন্তে পুলিশকে সাহায্য করছে সিআইডি। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই সিআইডি ১৩ জন বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছে।

সইকাণ্ড নিয়ে চাপানউতরের মধ্যে জল্পনা জোরালো হতে থাকে তৃণমূল কি ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে? শুধু তা-ই নয়, বিরোধী দলনেতা কাকে করা হবে, তা নিয়ে টানাপড়েন শুরু হয়ে যায় তৃণমূলের অন্দরে। সোমবার ঋতব্রত, সন্দীপনকে আগেই বহিষ্কার করে তৃণমূল। তার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন জোরাল হতে থাকে। একে একে অনেক বিধায়কই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেন। বাড়তে থাকে তৃণমূলে বিদ্রোহী বিধায়কদের সংখ্যা।

কোন দিকে পাল্লা ভারী, তা নিয়ে টানাপড়েন শুরু হয় তৃণমূলের অন্দরে। অনেকে আবার দাবি করেন, বিদ্রোহীরা ‘নতুন’ তৃণমূল। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে আদৌ মমতার হাতে থাকবে তৃণমূলের প্রতীক, না কি বিদ্রোহীদের কাছে যাবে? সেই জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই মঙ্গলবার আবার শোভনদেবকে অবিলম্বে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি পাঠান অভিষেক। স্পিকার কলকাতায় নেই বলে সেই চিঠি অবশ্য বিধানসভায় গ্রহণ করা হয়নি। শেষ পর্যন্ত বুধবার দুই বহিষ্কৃত-সহ ৬০ বিদ্রোহী বিধায়কের বিধানসভায় আগমনে ইতি পড়ল ‘রহস্যে’।

প্রসঙ্গত, ৪ মে ফল ঘোষণার পরে ৬ মে কালীঘাটের বাড়ির লাগোয়া দফতরে জয়ী বিধায়কদের বৈঠক ডেকেছিলেন মমতা। সেই বৈঠকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাকে সম্মান জানাতে সকলকে উঠে দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন মমতা। যা তৃণমূলের অনেককেই ক্রুদ্ধ করে তুলেছিল। তার পর থেকেই তৃণমূলের পরিষদীয় দলে ঐক্যের সুর কাটতে শুরু করে। ১৯ মে ফের একটি বৈঠক হয় কালীঘাটে। সেখানেই প্রথম বিস্ফোরণ ঘটান ঋতব্রত এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা। ফলতার জাহাঙ্গির খান ভোটের মাঠ ছাড়ার ঘোষণার পরেও কেন তাঁকে দল বহিষ্কার করছে না, সেই প্রশ্ন তোলেন ঋতব্রত এবং সন্দীপন। তৃণমূল তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনীতিতে এ কথা সর্বজনবিদিত যে, জাহাঙ্গির অভিষেকের লোক। ফলে ঋতব্রতদের নিশানায় যে আসলে ছিল অভিষেক, তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি।

সেই বৈঠকেই ঋতব্রত এবং সন্দীপনের সঙ্গে সুর মিলিয়ে বিদ্রোহী হয়েছিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সে দিন এক গাড়িতেই মমতার বাড়িতে পৌঁছেছিলেন তিন জন। পরে অবশ্য এই দু’জনের সঙ্গে আর এক বন্ধনীতে থাকেননি কুণাল (মতান্তরে রাখা হয়নি)। বরং ঋতব্রতদের বিরোধী হিসাবে আবির্ভূত হন বেলেঘাটার বিধায়ক। ঋতব্রতের বিরুদ্ধে কয়েক বছর আগে বালুরঘাটের এক মহিলার তোলা অভিযোগের কথা মনে করিয়ে দিয়ে কুণাল বলেন, ‘‘শুভেন্দু ভাল বলেছে নারী নির্যাতন মানা হবে না। আবেদন জানাচ্ছি, ঋতব্রতর বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখা হোক। বালুরঘাটের অভিযোগগুলি দেখা হোক।’’ সেই সঙ্গে বিদ্রোহী শিবিরের উদ্দেশে তাঁর খোঁচা, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত বিরোধী দলনেতাকে মানছে না অথচ মমতাকে পরামর্শদাতা হতে বলছেন।’’

সব কমিটি ভেঙে দিল মমতার তৃণমূল

পরিষদীয় দলের ভাঙনের প্রভাব পড়ল তৃণমূলের সাংগঠনিক অবয়বে। রাজ্যে দলের সমস্ত কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। দলে ভাঙন-সম্ভাবনা রুখতেই তৃণমূল নেতৃত্ব এই কৌশলী পদক্ষেপ করলেন কি না, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, নির্বাচনে দলের শোচনীয় পরাজয় এবং তার পরেই ভাঙন-সম্ভাবনার আবহে ছাত্র, যুব, শ্রমিক, মহিলা সংগঠনকে নতুন করে সাজাতে চাইছেন তৃণমূলনেত্রী। তাই এই পদক্ষেপ।

বুধবার দুপুরে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, সব কিছু যত্ন সহকারে বিচার-বিবেচনা করার পর পশ্চিমবঙ্গে দলের সমস্ত কমিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, “সংগঠনের প্রতিটি স্তরে দল নিবিড় পর্যালোচনা, সাংগঠনিক মূল্যায়নের পথে হাঁটবে। তার ভিত্তিতে সাংগঠনিক কাঠামো নতুন করে সাজানো হবে এবং পরবর্তী প্রক্রিয়া জানানো হবে।” বহিষ্কৃত ঋতব্রত বুধবার দুপুর পর্যন্তও দলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি-র সভাপতি পদে ছিলেন। তা ছাড়া বিদ্রোহী বিধায়কদের ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত অনেকেই তৃণমূলের ব্লক বা জেলা স্তরের সংগঠনে বিভিন্ন পদে ছিলেন। দলের সমস্ত কমিটি ভেঙে দিয়ে বিদ্রোহীদেরও কার্যত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে মমতার তৃণমূল।

দুই তৃণমূল, শুভেন্দু এবং মাছভাত

বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পথেই হাঁটলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে থাকা তৃণমূল বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। বুধবার নবান্ন সভাঘে গিয়ে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। কলকাতা, হাওড়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাকে নিয়ে আয়োজিত ওই প্রশাসনিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহারা যে ওই বৈঠকে যোগ দেবেন, তা আগে থেকেই জানা ছিল। তবে কুণাল, নয়না ফিরহাদদের উপস্থিতি তাৎপর্যপূর্ণ। মনে করা হচ্ছে, বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে যে বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে, সেই যুযুধান দুই শিবিরকে মিলিয়ে দিল শুভেন্দুর বৈঠক।

বুধবার স্পিকার রথীন্দ্র বসু বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করার আগেই বিধানসভা থেকে নবান্নে পৌঁছে যান তিনি। সঙ্গে ছিলেন আর এক বহিষ্কৃত সন্দীপন এবং তাদের শিবিরের সমীর জানাও। এর আগে কল্যাণীতে নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হুগলি জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন কাকলি। দলের বিরুদ্ধে তিনিও মুখ খুলেছিলেন। সেই পথে ফিরহাদ, কুণাল, নয়নারা হাঁটবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ঘটনাচক্রে, বুধবার কলকাতার মেয়র পদ থেকেও ইস্তফা দিতে চেয়েছেন ফিরহাদ। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে ছিলেন মমতা শিবিরের আর এক বিধায়ক বজবজের বিধায়ক অশোক দেবও।

নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক চলাকালীন ঋতব্রত শিবিরের অন্য বিধায়কেরা মধ্যাহ্নভোজ সারতে গিয়েছিলেন বিধানসভায় অবস্থিত প্ল্যাটিনাম জুবিলি হলে। সেখানে খাদ্য তালিকায় ছিল― ডাল, ভাত, সবজি, মাছ, চাটনি, পাঁপড়, চাটনি, মিষ্টি। ভগবানগোলার বিধায়ক রেয়াত হোসেন সরকার বলেন, ‘খেয়ে আপাতত পেট ভরল। বাকি রাজনীতি কোথায় যাচ্ছে দেখা যাক। তবে আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement