West Bengal Weather Update

টানা দু’দিন অতি প্রবল বর্ষণের লাল সতর্কতা দার্জিলিঙে, উত্তরবঙ্গ জুড়ে দুর্যোগ, কলকাতায় কবে কতটা বৃষ্টি?

উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে প্রবল বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃষ্টি হবে কলকাতাতেও। বঙ্গোপসাগরের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। বর্ষার অক্ষরেখাও সক্রিয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬ ১০:৩১
Share:

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তরবঙ্গে টানা বৃষ্টি চলছে। —ফাইল চিত্র।

উত্তরবঙ্গ জুড়ে দুর্যোগের লাল সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বর্ষার বৃষ্টিতে নাজেহাল দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারের মতো জেলা। টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে এই সমস্ত জেলায় ভারী বৃষ্টি চলছে। উত্তরের নদীগুলির জলস্তরও বেড়ে গিয়েছে। এখনই পরিস্থিতি পরিবর্তনের কোনও সম্ভাবনা নেই। দক্ষিণবঙ্গেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

Advertisement

উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে প্রবল বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার এবং সোমবার দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি (৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার) হবে। কোথাও কোথাও অতিপ্রবল বর্ষণের (২০ সেন্টিমিটারের বেশি) সম্ভাবনাও রয়েছে। এই জেলাগুলিতে লাল সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা রয়েছে শনিবারও। এ ছাড়া, উত্তরের পাঁচ জেলায় আগামী শুক্রবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি চলতে পারে।

উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহেও বৃষ্টি চলছে। এই তিন জেলায় আপাতত ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা নেই। তবে বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি চলবে সর্বত্র। ঝড়বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা এমনিতেই কম আছে। তবে আগামী কয়েক দিনে নতুন করে আর তাপমাত্রার বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

Advertisement

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র প্রতি দিনই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তবে শনিবার এবং রবিবার শহরে আলাদা করে কোনও সতর্কতা নেই। বৃষ্টি বাড়তে পারে মঙ্গলবার থেকে। কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতে শুক্রবার পর্যন্ত টানা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে। মঙ্গলবারের আগেও ঝড়বৃষ্টি হতে পারে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে। এই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজস্থান থেকে ওড়িশা পর্যন্ত মরসুমি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং মায়ানমার সংলগ্ন উপকূলের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। তার ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে প্রবেশ করছে। তাই রাজ্য জুড়েই পরিস্থিতি ঝড়বৃষ্টির অনুকূল।

শনিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৬ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয়েছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৫ ডিগ্রি কম।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement