Prabhas

‘অনেকগুলো বছর শান্তিতে ঘুমোতে পারিনি’, ছবির বিপুল সাফল্যের পরেও কেন এমন অবস্থা হয়েছিল প্রভাসের?

ছবিমুক্তির পরে বেশ কিছু বছর নাকি শান্তিতে দু’চোখের পাতা এক করতে পারেননি প্রভাস। অভিনেতার কথায়, ‘সাহো’ মুক্তির প্রথম দিনেই উত্তর ভারতে প্রায় ২৬ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল। তার পর কী হয়েছিল অভিনেতার?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬ ১১:৫২
Share:

কেন দু’চোখের পাতা এক করতে পারেননি প্রভাস? ছবি: সংগৃহীত।

বক্সঅফিস সফল ভারতীয় ছবির তালিকা তৈরি হলে, প্রথমেই উঠে আসবে ‘বাহুবলী’র নাম। এই একটা ছবি বদলে দেয় অভিনেতা প্রভাস-সহ অনেকের ভাগ্য। তবে বিপুল সাফল্যের অভিঘাত যে অন্য ভাবে প্রভাব ফেলেছিল নায়কের উপর, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কথাই ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেতা।

Advertisement

ছবিমুক্তির পরে বেশ কিছু বছর নাকি শান্তিতে দু’চোখের পাতা এক করতে পারেননি প্রভাস। অভিনেতার কথায়, ‘সাহো’ মুক্তির প্রথম দিনেই উত্তর ভারতে প্রায় ২৬ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল। সেই অঙ্ক তাঁকেও বিস্মিত করেছিল। তবে এই সাফল্যের কৃতিত্ব তিনি নিজের নয়, পুরোপুরি ‘বাহুবলী’-কেই দিয়েছেন প্রভাস। তিনি বলেন, “‘সাহো’-র প্রথম দিনের ব্যবসা শুধুমাত্র ‘বাহুবলী’-র জন্যই সম্ভব হয়েছিল। অন্য কোনও কারণ ছিল না।”

অভিনেতা আরও বলেন, “‘বাহুবলী’র আগে তাঁর ছবির বাজেট সাধারণত ২০ থেকে ৪০ কোটির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত। কিন্তু ওই ছবির ঐতিহাসিক সাফল্যের পরই ‘সাহো’, ‘রাধে শ্যাম’-এর মতো অনেক বাজেটের ছবি বা ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’-র মতো বড় বাজেটের ছবি নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে।

Advertisement

তবে সাফল্যের সঙ্গে এসেছিল বিপুল দায়িত্বও। প্রভাস জানান, ‘বাহুবলী’র পর তিনি বুঝতেই পারছিলেন না, পরবর্তী পদক্ষেপ কী হওয়া উচিত। আবার কি মহাকাব্যিক নাটক? না কি আরও বড় মাপের ‘ভিএফএক্স’ নির্ভর ছবি? না কি সম্পূর্ণ অন্য ধরনের গল্প? এই দ্বিধা কাটাতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল।

তিনি বলেন, “আমি দু’-তিন বছর ঠিকমতো ঘুমোতে পারিনি। প্রতিটি বিভাগের দায়িত্ব হাজার গুণ বেড়ে গিয়েছিল। ‘বাহুবলী’র পরের সময়টাই আমার জীবনের সবচেয়ে চাপের সময় ছিল।”

সেই সময়েই পরিচালক প্রশান্ত নীল ও নাগ অশ্বিনের সঙ্গে বিভিন্ন কাজ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল। পরবর্তীকালে সেই আলোচনাই রূপ নেয় ‘সালার’ এবং ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’র মতো ছবিতে। দুটি ছবিই বক্সঅফিসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায় এবং প্রভাসকে সর্বভারতীয় তারকা হিসাবে আরও এগিয়ে দেয়।

পিছনে ফিরে তাকিয়ে প্রভাসের উপলব্ধি, “‘বাহুবলী’ না হলে ‘সালার’ বা ‘কল্কি’ তৈরি করা সম্ভব হত না। সব কিছুর শুরু ওই ছবিকে দিয়েই।” প্রসঙ্গত, ‘বাহুবলী’র নেপথ্যের অজানা গল্প নিয়ে সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে একটি চার পর্বের বিশেষ ডকুমেন্টারি মুক্তি পেয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement