শুনানিকেন্দ্রে বেলুড় মঠের সন্ন্যাসীরা। —নিজস্ব চিত্র।
বেলুড় মঠে গিয়ে সন্ন্যাসীদের এসআইআর শুনানি করার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্তবদল। শুনানিকেন্দ্রে ডেকে পাঠানো হয় তাঁদের। হঠাৎ ডেকে পাঠানোয় কিছুটা বিব্রত হয়ে পড়েন বেলুড় মঠের সন্ন্যাসীরা। তবে পরে মঠের বাসে চেপেই জনা তিরিশ সন্ন্যাসী পৌঁছোন শুনানি কেন্দ্রে। সেখানেই তাঁদের নথিপত্র যাচাই করেন নির্বাচন আধিকারিকেরা।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) শুনানিতে হাজির থাকার জন্য বেলুড় মঠের সন্ন্যাসীদের নোটিস পাঠানো নিয়ে শোরগোল পড়ে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, বেলুড় মঠের সন্ন্যাসীদেরও শুনানি হবে?
দিন কয়েক আগে বেলুড় মঠে গিয়ে সন্ন্যাসীদের শুনানির নোটিস ধরিয়ে আসেন বালি বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকেরা। প্রথম পর্যায়ে কয়েক জন সন্ন্যাসীর শুনানি হয় বেলুড় মঠে। দ্বিতীয় ধাপেও একই ভাবে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে কমিশনের আধিকারিকেরা জানান, নোটিস পাওয়া সন্ন্যাসীদের শুনানির জন্য যেতে হবে শুনানিকেন্দ্রে।
কেন আচমকা সন্ন্যাসীদের ডেকে পাঠানো হল, তা নিয়ে কেউ স্পষ্ট করে কিছু জানাননি। শুনানিকেন্দ্রে যেতে হবে জানতে পেরে প্রায় ৩০ জন সন্ন্যাসী মঠের বাসে চেপে বেলুড় শ্রমিক মঙ্গল কেন্দ্রে পৌঁছোন। সেখানেই তাঁদের শুনানি পর্ব হয়। সন্ন্যাসীদের বক্তব্য, দেশের আইন এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়মাবলী মেনে তাঁরা হাজিরা দিয়েছেন।