হাওড়া পৌর নিগম। —ফাইল চিত্র।
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি থেকে শুরু করে ভারী বৃষ্টিতে কোথায় জল জমেছে বা বিদ্যুতেরতার ছিঁড়ে পড়েছে— সে সব এ বার হাওড়া পুর ভবনে বসেই দেখতে পাবেন পুরসভার আধিকারিকেরা। এর জন্য মঙ্গলবার থেকে পুরসভার টাউন হলের নীচে চালু হল স্থায়ী কন্ট্রোল রুম। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ওই কন্ট্রোল রুম থেকে হাওড়া শহরের ৫০টি ওয়ার্ডে নজরদারিরপাশাপাশি পুর ভবনে থাকা বিভিন্ন দফতরের উপরেও লক্ষ রাখা যাবে। পুরসভার চেয়ারপার্সন সুজয় চক্রবর্তী জানান, প্রাথমিক ভাবে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে লাগানো ২০টি ওয়্যারলেস সিসিক্যামেরা এবং হাওড়া সিটি পুলিশের সিসি ক্যামেরায় তোলা ছবি দেখে এই নজরদারির কাজচালানো হবে। এ ছাড়া, শহরের যে এলাকাগুলিতে বেশি জল জমে ও গাছ পড়ার প্রবণতা রয়েছে, সেখানে ভবিষ্যতে আরও৩০টি ক্যামেরা লাগানোর পরিকল্পনা আছে।
প্রসঙ্গত, রাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম পুরসভা হাওড়ায় এত দিন স্থায়ী কন্ট্রোল রুম ছিল না।আমপান বা আয়লার মতো ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে কিংবা অতিবৃষ্টিতে অধিকাংশ ওয়ার্ড বানভাসি হলে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম তৈরি করে কাজ চালানো হয়েছে। এমনক্ষেত্রে ফোনে বাসিন্দাদের অভিযোগ পেয়ে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হত। পুরকর্তাদের দাবি, স্থায়ী কন্ট্রোলরুম চালু হওয়ায় পুর ভবন থেকেই শহরের পরিস্থিতি দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।কোনও বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করা যাবে পুলিশের সঙ্গেও।
পুর চেয়ারপার্সন জানান, কন্ট্রোল রুমে চারটি ৫৫ ইঞ্চির মনিটর ছাড়াও থাকছে একাধিন টেলিফোন। শহরের বাসিন্দাদের ওই ফোন নম্বর জানিয়ে দেওয়া হবে। এ দিন কন্ট্রোল রুমের পাশে ‘চিরন্তনী’ নামে একটি কনফারেন্স কক্ষেরও উদ্বোধন করা হয় বলে খবর।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে