কবে চালু পরিষেবা, মেলেনি উত্তর

অনিয়ম, গোন্দলপাড়া ফেরিঘাট বন্ধের নির্দেশ

গত ২৬ এপ্রিল তেলেনিপাড়া জেটি ভেটে মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের। তারপরই এলাকার বেশ কয়েকটি ঘাটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। যে সমস্ত অস্থায়ী জেটি রয়েছে সেগুলির স্থায়ীকরণের ব্যবস্থা করা হয়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ অগস্ট ২০১৭ ০৩:০০
Share:

বন্ধ: তালা দেওয়া রয়েছে জেটির মূল দরজায়। নিজস্ব চিত্র

নিয়ম না মেনে যাত্রী পরিবহণের অভিযোগে সোমবার থেকে গোন্দলপাড়া ফেরিঘাট বন্ধ করে দিল প্রশাসন। এ দিন ভোরে জেটির মূল দরজায় তালা লাগানো দেখে ফিরে যান অনেক নিত্যযাত্রী। চন্দননগরের এসডিপিও রানা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘নিয়ম না মানায় অনেক দিন ধরেই গোন্দলপাড়া ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরও সচেতনতা ফেরেনি। এরপর ওই ঘাট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।’’ ফের কবে ওই ঘাট থেকে ফেরি পরিষেবা চালু হবে, সে বিষয়ে সদুত্তর মেলেনি।

Advertisement

গত ২৬ এপ্রিল তেলেনিপাড়া জেটি ভেটে মৃত্যু হয়েছিল ১৯ জনের। তারপরই এলাকার বেশ কয়েকটি ঘাটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। যে সমস্ত অস্থায়ী জেটি রয়েছে সেগুলির স্থায়ীকরণের ব্যবস্থা করা হয়। যাত্রীদের বাধ্যতামূলকভাবে লাইপ জ্যাকেট পরা, নৌকার ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী পরিবহণ করা, সাঁতারে পারদর্শী স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ—এমনই বেশ কিছু নির্দেশ দেয় প্রশাসন। নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না তা নিয়েও চলছিল পুলিশি নজরদারি।

প্রশাসনের অভিযোগ, গোন্দলপাড়া ফেরি ঘাটে সেই সব নিয়ম না মেনেই যাত্রী পরিবহণ চলছিল। রবিবার রাত সাড়ে দশটায় শেষ লঞ্চ যাওয়ার পরই প্রশাসনের তরফে ঘাট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সোমবার ভোরে তালা মেরে দেওয়া হয় জেটির মূল দরজায়। ভোরে অনেক নিত্যযাত্রী এসে ঘাট থেকে ফিরে যান। সমরেশ যাদব নামে এক নিত্যযাত্রীর অভিযোগ, ‘‘এই ঘাট বন্ধ হওয়ায় সমস্যা তো হবেই। এখন অনেক ঘুর পথে বেশি পয়সা খরচ করে
যেতে হবে।’’

Advertisement

গোন্দলপাড়ার ফেরি পরিষেবার ইজারাদার চন্দন বর্মনের অবশ্য সাফাই, ‘‘৬ বছর ধরে এই ঘাটের দায়িত্বে রয়েছি। স্থায়ী জেটি- সহ কয়েকটি ব্যবস্থা হয়ে গেলে ফের ঘাট চালু হবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement