টুকরো খবর

ভোজ-পর্ব তখন শেষের পথে। মাথায় সিঁদুর পরে বছর ষোলোর নাবালিকা বিয়েবাড়ির মধ্যে এ-দিক, ও-দিক ঘুরছে। আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কথা বলছে। বর এক পাশে একটি গদিতে বসে। সঙ্গে বন্ধুবান্ধব। সোমবার রাত তখন ১০টা। গোঘাট-২ ব্লকের দশঘরা গ্রামের ওই বিয়েবাড়িতে এসে ঢুকলেন বিডিও শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত। সঙ্গে পুলিশ। যথাসময়ে খবর না মেলায় নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করে পারেননি তাঁরা।

Advertisement
শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০১:৫৪
Share:

নাবালিকার কপালে সিঁদুর, মুচলেকা নিলেন বিডিও

Advertisement

ভোজ-পর্ব তখন শেষের পথে। মাথায় সিঁদুর পরে বছর ষোলোর নাবালিকা বিয়েবাড়ির মধ্যে এ-দিক, ও-দিক ঘুরছে। আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে কথা বলছে। বর এক পাশে একটি গদিতে বসে। সঙ্গে বন্ধুবান্ধব। সোমবার রাত তখন ১০টা। গোঘাট-২ ব্লকের দশঘরা গ্রামের ওই বিয়েবাড়িতে এসে ঢুকলেন বিডিও শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত। সঙ্গে পুলিশ। যথাসময়ে খবর না মেলায় নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করে পারেননি তাঁরা। তবে, ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত ওই নাবালিকাকে শ্বশুরবাড়ি পাঠানো যাবে না এবং জামাইকেও বাড়িতে আনা যাবে না এই মর্মে মুচলেকা লিখিয়ে নিলেন কনের বাবার কাছ থেকে। বিডিও বলেন, “বিয়েটা হয়েই গিয়েছিল। দেরিতে খবর পাওয়ায় যথাসময়ে এসে তা আটকানো যায়নি। তবে দু’পক্ষকে অনেক বুঝিয়ে ওই মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। নাবালিকার বিয়ে সংক্রান্ত আইনগত ব্যবস্থাপনা নিয়ে দু’পক্ষকেই সতর্ক করা হয়েছে।” স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকা একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। তার বাবা দিনমজুর। মেয়ের বিয়ে ঠিক করেছিলেন গোঘাটের মান্দারন সংলগ্ন কাতলা গ্রামে। পাত্র চাষাবাদের কাজ করেন। বিয়ে-পর্ব নির্বিঘ্নে সাঙ্গ হয়ে যাওয়ার পরে সকলেই ছিলেন খুশির মেজাজে। কিন্তু অত রাতে পুলিশ প্রশাসনকে দেখে তাঁরা ঘাবড়ে যান। প্রথমে কোন পক্ষই প্রশাসনের অনুরোধ মানতে চায়নি। সব শেষে অবশ্য মেয়েটির বাবা বলেন, “নাবালিকার বিয়ের ব্যাপার নিয়ে বাধা-নিষেধের ব্যাপারটা শুনেছিলাম। কিন্তু সত্যিই প্রশাসন এ রকম গুরুত্ব দেবে বুঝতে পারিনি। প্রশাসন যা বলেছে, সেটা মেনেই চলব।” তবে, নতুন বউকে ঘরে নিয়ে যেতে না পেরে কিছুটা মুষড়েই পড়েন পাত্র।

Advertisement

এমফিলে ভর্তি নিয়ে ক্ষোভ

দূরশিক্ষা বিভাগে স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের একাংশকে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিল পাঠ্যক্রমে ভর্তির ফর্ম দেওয়া হচ্ছে না। মঙ্গলবার জেলা দফতরে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই অভিযোগ তুলল এসএফআই। তাদের অভিযোগ, নিয়মিত বিভাগে স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা ৫৫ শতাংশ ও তপশিলি জাতি ও উপজাতি ছাত্রছাত্রীরা ৫০ শতাংশ নম্বর থাকলেই এমফিল পাঠক্রমে ভর্তির আবেদন করতে পারছেন। কিন্তু দূরশিক্ষা বিভাগে স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণরা একই নম্বর পেলেও আবেদন করতে পারছেন না। এসএফআইয়ের রাজ্য কমিটির সদস্য বিনোদ ঘোষ ও জেলা সম্পাদক দীপক ঘোষের অভিযোগ, “কেন এই দ্বিচারিতা তার কোনও সদুত্তর নেই। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মীরা বলছেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই এই কাজ করা হচ্ছে।” এ দিন ছিল এমফিলে ভর্তি হওয়ার আবেদনের শেষ দিন। ছাত্রছাত্রীরা এই বিষয়ে ক্ষোভ জানাতে রেজিস্ট্রার রজত ভট্টাচার্যের কাছে যান। তিনি জানান, উপাচার্য স্মৃতিকুমার সরকার এখন রাজ্যের বাইরে রয়েছেন। তিনি ফিরে এলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে।

Advertisement

দুষ্কৃতী ধৃত

একটি রিভলভার এবং এক রাউন্ড গুলি-সহ এক দুষ্কৃতীকে রবিবার রাতে আরামবাগের কালীপুর থেকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম শেখ ইব্রাহিম। বাড়ি আরামবাগের মুথাডাঙ্গায়। পুলিশের দাবি, জেরায় ধৃত কবুল করেছে, ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা ছিল তার। ধৃতকে সোমবার আরামবাগ আদালতে হাজির করা হলে ১৪ দিন জেল হাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

বন্ধ জাতীয় সড়ক

ছবি: সুব্রত জানা।

মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ উলুবেড়িয়ার মনসাতলায় জাতীয় সড়কের পাশে বন্ধ থাকা একটি রেস্তোরাঁর পাশে উলুবনে আগুন লেগে যায়। দমকলের দু’টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দু’ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুনে রেস্তোরাঁটির অনেকটা অংশের ক্ষতি হয়েছে। আগুন লাগার কারণ অবশ্য জানা যায়নি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement