বধূকে খুনের অভিযোগে স্বামী, শাশুড়ি-সহ তিন জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বৈদ্যবাটির কাজিপাড়ার ঘটনা। নিহতের নাম রুম্পা সমাদ্দার (২৮)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রুম্পার বাপেরবাড়ি শ্রীরামপুরের প্রভাসনগরে। সাড়ে ৩ বছর আগে তাঁর সঙ্গে বৈদ্যবাটির কাজিপাড়ার বাসিন্দা প্রসেনজিৎ সমাদ্দারের বিয়ে হয়। দম্পতির এক বছরের একটি ছেলে আছে। সোমবার সকালে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা বাপেরবাড়িতে ফোন করে জানান, রুম্পা গলায় দড়ি দিয়েছেন। তাঁরা যেন শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতালে চলে আসেন। হাসপাতাল সূত্রের খবর, মৃত অবস্থায় ওই বধূকে আনা হয়েছিল। রুম্পার বাপেরবাড়ির অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তাঁর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। অতিরিক্ত পণের জন্য তাঁর উপর চাপ দেওয়া হতো। স্বামীর বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক আছে। তার প্রতিবাদ করায় তাঁর উপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়ে। মামা সঞ্জয় মালাকারের অভিযোগ, ‘‘আমাদের মনে হয়, ওরা শ্বাসরোধ করে ভাগ্নিকে মেরে ফেলেছে। এখন আত্মহত্যার গল্প বানাচ্ছে।’’ পুলিশ জানায়, নিহতের দাদা সৌমেন মালাকার শ্রীরামপুর মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে খুন এবং বধূ নির্যাতনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রসেনজিৎ, তাঁর মা পূর্ণিমা সমাদ্দার এবং পিসি দীপা সমাদ্দারকে আদালতে তোলা তাঁদের ১৪ দিন জেল হাজতে হয়।