নির্বিচারে গাছ কাটা হল আমতার গ্রামে, ক্ষোভ

দিন কয়েক ধরে আমতা-২ ব্লকের অমরাগড়ি পঞ্চায়েত এলাকার নতুনগ্রাম বড়পুকুর পাড় থেকে কাঁকরোল বটতলা পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশের শিশু, ইউক্যলিপটাস-সহ অন্তত ৩০টি বড় গাছ কাটা হল নির্বিচারে। এ ভাবে সবুজ ধ্বংস নিয়ে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০১৫ ০১:৪৪
Share:

রাস্তার ধারে পড়ে আছেগাছের কাটা গুঁড়ি। ছবি: সুব্রত জানা।

দিন কয়েক ধরে আমতা-২ ব্লকের অমরাগড়ি পঞ্চায়েত এলাকার নতুনগ্রাম বড়পুকুর পাড় থেকে কাঁকরোল বটতলা পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশের শিশু, ইউক্যলিপটাস-সহ অন্তত ৩০টি বড় গাছ কাটা হল নির্বিচারে। এ ভাবে সবুজ ধ্বংস নিয়ে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। তাঁদের অভিযোগ, কোনও অনুমতি না নিয়ে অবৈধ ভাবে গাছ কাটা হয়েছে। অথচ, তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের কোনও হুঁশ নেই। গ্রামবাসীরা বাধা দেওয়ায় গাছ কাটা বন্ধ হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন তাঁরা।

Advertisement

পঞ্চায়েত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৩০-৪০ ফুট লম্বা গাছগুলি বছর ১৫-২০ আগে সরকারি প্রকল্পে লাগানো হয়েছিল। গত সপ্তাহে গ্রামবাসীরা একদিন দেখেন, আমতার গাছ ব্যবসায়ী বিদ্যুৎ দাস লোকজন নিয়ে এসে বেছে বেছে ওই সব গাছগুলি কাটাচ্ছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বন দফতর, পঞ্চায়েত বা প্রশাসনের কোনও মহল থেকেই কোনও অনুমতি না নিয়ে কয়েক লক্ষ টাকার গাছগুলি কাটা হচ্ছিল। অভিযুক্ত তাঁদের কোনও অনুমতিপত্র দেখাতে পারেননি। তখনই তাঁরা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনেন। গণস্বাক্ষর সংবলিত অভিযোগপত্রও জমা দেওয়া হয়।

কিন্তু তার পরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ। কেউ কেউ মনে করেন, এর পিছনে প়ঞ্চায়েতের মদত রয়েছে। কেননা, কোনও টেন্ডার ছাড়াই গাছ কাটা হচ্ছিল। বন দফতরের তরফে উলুবেড়িয়ার রেঞ্জার অমরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আমাদের কাছ থেকে গাছ কাটার অনুমতি নেওয়া হয়নি। কেউ লিখিত অভিযোগ জানালে পঞ্চায়েতের সঙ্গে কথা বলব। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হবে।’’ পঞ্চায়েত প্রধান দীপ্তি রায় এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মিঠু বারুই বলেন, ‘‘বিষয়টি জানি। তদন্ত চলছে। ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

Advertisement

কিন্তু এতদিন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন। এই প্রশ্নের কোনও উত্তর তিনি দেননি। অভিযুক্ত গাছ ব্যবসায়ী বিদ্যুৎ দাসকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এসএমএসেরও জবাব দেননি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement