কুকারের পোড়া দাগ সাফ হবে নিমেষে। ছবি: সংগৃহীত।
গ্যাসে পোলাও চাপিয়েছেন। এ দিকে, অফিসের জরুরি ফোন এসেছে। ফোনটা না ধরে উপায় নেই। অগত্যা ফোন ধরতে ছুটলেন। ফোন সেরে যখন হেঁশেলে ঢুকলেন, তত ক্ষণে অনেকটা সময় পেরিয়ে গিয়েছে। পোলাও তো পুড়েইছে, সেই সঙ্গে কুকারটিও পুড়েছে। রান্না পুড়ে গেলেও তা আবার করে নেওয়া যায়। কিন্তু কুকারের পোড়া দাগ তোলা বেশ কঠিন। রান্না করতে গিয়ে বাসনপত্র পুড়ে যাওয়ার ঘটনা নতুন নয়। অনেকেরই এই অভিজ্ঞতা রয়েছে। দীর্ঘ ক্ষণ ধরে সে বাসন মাজলেও দাগ ওঠে না। তবে ঘরোয়া কিছু টোটকা রয়েছে, যা মেনে চললে ঘষাঘষির ঝামেলা ছাড়াই কড়াই হবে সাফ।
১) পোড়া কুকারে বেশ খানিকটা ভিনিগার মেশানো জল দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এ বার কুকারটি গ্যাস থেকে নামিয়ে জল ফেলে দিন। খানিকটা বেকিং সোডা মাখিয়ে রাখুন। ঘণ্টাখানেক পর ভাল করে ধুয়ে নিলেই কুকারটি ঝকঝক করবে।
২) কুকার ভর্তি করে জল নিয়ে ফুটতে দিন। ফুটন্ত জলে ১ চা চামচ বাসন পরিষ্কার করার তরল সাবান মিশিয়ে দিন। পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করুন। তার পর দেখবেন কুকারের পোড়া অংশগুলি উঠতে শুরু করেছে। গ্যাস বন্ধ করে আলতো হাতে ধুয়ে নিলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।
৩) রান্নাঘরের জিনিস দিয়েই বাসনপত্রের পোড়া দাগ তুলতে পারেন। নুন ছাড়াও আরও একটি ঘরোয়া টোটকায় বাসনের পোড়া দাগ তুলে ফেলতে পারেন। চাল ধুয়ে তো সেই জলটি ফেলেই দেন। রান্নাঘরের সিঙ্কে যদি পোড়া বাসন পড়ে থাকে, তা হলে ওই জলটি কাজে লাগাতে পারেন। শুধু চাল ধোয়া জলের সঙ্গে কয়েক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। চাল ধোয়া জলে থাকা স্টার্চ আর লেবুর রসের সাইট্রিক অ্যাসিড বাসনের জেদি দাগও তুলতে সাহায্য করে। কুকারের ক্ষেত্রেও এই কৌশল কাজে লাগাতে পারেন।