পুরসভার ওয়েবসাইট হ্যাক, আটক এক

হ্যাক করা হয়েছে হাওড়া পুরসভার একটি ওয়েবসাইট। তার বিভিন্ন ফাইলে কুরুচিকর ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি ও মন্তব্য। পুর-কর্তাদের কাছ থেকে এই অভিযোগ পেয়ে শুক্রবার রাতে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কলকাতার তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থার এক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০১৪ ০১:৪৮
Share:

হ্যাক করা হয়েছে হাওড়া পুরসভার একটি ওয়েবসাইট। তার বিভিন্ন ফাইলে কুরুচিকর ইঙ্গিতপূর্ণ ছবি ও মন্তব্য। পুর-কর্তাদের কাছ থেকে এই অভিযোগ পেয়ে শুক্রবার রাতে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কলকাতার তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থার এক কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

Advertisement

পুরসভা সূত্রে খবর, গত সপ্তাহে নবান্ন থেকে হাওড়া পুরসভায় জানানো হয়, তাদের একটি ওয়েবসাইটে কুরুচিকর ছবি ও মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। কী ভাবে এমন হল, কারা এই ঘটনায় যুক্ত, তা জানতে পুলিশি সাহায্য নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ কথা জানতে পেরে নড়েচড়ে বসেন মাত্র ছ’মাস আগে পুরসভার ক্ষমতায় আসা তৃণমূল পুরবোর্ডের কর্তারা। তাঁরা অভিযোগ জানান হাওড়া সিটি পুলিশের কাছে। যে সংস্থা থেকে ওয়েবসাইটটি নেওয়া হয়েছিল, তাদের তা অবিলম্বে বন্ধ করতে বলা হয়। আটক করা হয় ওই কর্মীকে। তাঁকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পরে পুলিশের ধারণা, ওই ব্যক্তি হ্যাকিং-এর সঙ্গে যুক্ত।

শুক্রবার হাওড়ার মেয়র রথীন চক্রবর্তী বলেন, “এই ঘটনায় কারা জড়িত তা খুঁজে বার করতে পুলিশকে জানিয়েছি। পুর-কর্মীরা জড়িত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধেও যাতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা-ও বলা হয়েছে পুলিশকে।” মেয়র জানান, গত শনিবার পুলিশে অভিযোগ হয়। বিস্তারিত তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে পুলিশ কমিশনার অজেয় রানাডের কাছে। হাওড়া সিটি পুলিশ সূত্রে খবর, তদন্ত করছে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সাইবার ক্রাইম শাখা।

Advertisement

এ দিন পুর-কমিশনার নীলাঞ্জন চট্টোপাধ্যায় জানান, পুরসভার দু’টি ওয়েবসাইট রয়েছে। একটি নতুন এবং একটি পুরানো ও কম ব্যবহৃত। পুর-কমিশনার বলেন, “হ্যাকারেরা কম ব্যবহৃত ওয়েবসাইটটিতে ঢুকে এমন ঘটিয়েছে। পুরসভার কেউ জড়িত কিনা দেখা হচ্ছে।” পুর কমিশনার জানান, তদন্ত শুরু হওয়ার পরেও নানা কুরুচিকর মন্তব্য করা হচ্ছিল। তাই যে সংস্থা ওয়েবসাইটটি তৈরি করেছিল তাদের সেটি বন্ধ করতে বলা হয়।

পুরসভা সূত্রে খবর, শুক্রবার মেয়র পুরসভার তথ্য প্রযুক্তি দফতরের দায়িত্বে থাকা বিল্ডিং দফতরের ইঞ্জিনিয়ার সুজয় সেনগুপ্ত ও ওই দফতরের অফিসারদের ডেকে পাঠান। অর্ন্তঘাতই এর কারণ কি না, পুর-অফিসারদের তা তদন্ত করে দেখতে বলেন। সুজয়বাবু বলেন, “কিছুই জানতাম না। তা ছাড়া, আমি মনে করি হ্যাক করার মত প্রযুক্তি জানা অফিসার বা কর্মী পুরসভায় নেই।”

হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা বলেন, “প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে পাতিপুকুর এলাকা থেকে ওয়েবসাইটটি হ্যাক করা হয়। আটক তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থার কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মনে হয়, অনেকে এর পিছনে আছেন।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement