মমতা ও নীতীশের দ্বারস্থ ইসরত

ইসরতের আইনজীবী নাজিয়া ইলাহি খান জানান, হাওড়ার গোলাবাড়ি থানায় দু’বার ভাশুর মুস্তাফা আলির বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন পিলখানার বাসিন্দা ওই তরুণী। প্রতিটি অভিযোগের সঙ্গেই তিনি চিকিৎসকের রিপোর্টও জমা দেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ অগস্ট ২০১৭ ০৪:১৭
Share:

ইসরত জহান।ফাইল চিত্র।

নিজের এবং সন্তানদের নিরাপত্তা দাবি করে ইতিমধ্যেই রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি। এ বার স্বামী ও ভাশুরকে গ্রেফতারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হলেন তাৎক্ষণিক তিন তালাকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ইসরত জহান। মঙ্গলবার তিনি দুই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর লিখিত আবেদন পাঠিয়েছেন।

Advertisement

ইসরতের আইনজীবী নাজিয়া ইলাহি খান জানান, হাওড়ার গোলাবাড়ি থানায় দু’বার ভাশুর মুস্তাফা আলির বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন পিলখানার বাসিন্দা ওই তরুণী। প্রতিটি অভিযোগের সঙ্গেই তিনি চিকিৎসকের রিপোর্টও জমা দেন। কিন্তু হাওড়ার পুলিশ কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি। কয়েক দিন আগেই নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টির সঙ্গে শ্লীলতাহানির অভিযোগও মমতাকে জানিয়েছেন ইসরত। এ দিন তিনি সমস্ত তথ্য-সহ ভাশুর মুস্তাফার গ্রেফতারি দাবি করে ফের চিঠি দিয়েছেন মমতাকে। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের কাছে ইসরতের আবেদন, গ্রামে ফেরা মাত্রই যেন তাঁর স্বামী মহম্মদ মুরতুজা আনসারিকে গ্রেফতার করা হয়। আইনজীবী নাজিয়া বলেন, ‘‘শ্লীলতাহানির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও গ্রেফতার করা তো দূরের কথা, কোনও তদন্তই করেনি পুলিশ। তাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ফের আবেদন করা হয়েছে।’’

ওই আইনজীবীও নীতীশকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে দুবাই থেকে গয়া বিমানবন্দরে এসে পৌঁছবেন ইসরতের স্বামী মুরতুজা। ইসরতকে এখনও পর্যন্ত কোনও খোরপোশ দেননি ওই যুবক। কিন্তু ইতিমধ্যেই তিনি আবার বিয়ে করে ফেলেছেন। তাই এক জন অসহায় মহিলা এবং তাঁর সন্তানদের সহযোগিতা করার জন্য যেন মুরতুজাকে গ্রেফতার করা হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement