SIR Tribunal in West Bengal

এসআইআর ট্রাইবুনাল থেকে এ বার সরলেন প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ, কেমন চলছে বিবেচনাধীন তালিকার কাজ

এসআইআরের বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা নামগুলির নিষ্পত্তির ভার সুপ্রিম কোর্ট তুলে দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের উপর। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে ট্রাইবুনাল গঠন করে দেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬ ১৫:১৬
Share:

ট্রাইবুনাল থেকে ইস্তফা দেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

এসআইআরের ট্রাইবুনাল থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ। এর আগে গত মে মাসে ট্রাইবুনাল থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। তাঁর পথে হেঁটেই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ট্রাইবুনাল থেকে সরে গেলেন বিচারপতি বাগ।

Advertisement

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা নামগুলির নিষ্পত্তির ভার সুপ্রিম কোর্ট তুলে দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের উপর। বলা হয়েছিল, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি ট্রাইবুনাল গঠন করে দেবেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি। সেই ট্রাইবুনাল বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা নামগুলির নিষ্পত্তির কাজ করবে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে ট্রাইবুনাল কাজ করছে। সেই ট্রাইবুনালে ছিলেন বিচারপতি বাগও। একাধিক মামলার নিষ্পত্তি করেছেন তিনি।

এসআইআরে বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা প্রায় ২৭ লক্ষ নাম ট্রাইবুনালে শুনানির জন্য গিয়েছে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ২৮ থেকে ৩০ হাজার নামের নিষ্পত্তির কাজ হয়েছে। দিনে ৫০ থেকে ৬০টির বেশি মামলা নিষ্পত্তি করা যাচ্ছে না। পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাবে কাজে ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের একাংশের বক্তব্য, ট্রাইবুনালের কাজ আদালতের শুনানির চেয়ে কোনও অংশে কম নয়। যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের নথি ধরে ধরে যাচাই করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই সশরীরে আবেদনকারীকে ডেকে পাঠাতে হচ্ছে। কিন্তু আদালতের মতো সমান্তরাল প্রক্রিয়া চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ট্রাইবুনালের কাছে নেই। নির্বাচন কমিশন সূত্রে দাবি, এ ভাবে চললে সম্পূর্ণ তালিকার নিষ্পত্তি করতে ২৫ বছর লেগে যেতে পারে।

Advertisement

কী কী সমস্যা হচ্ছে?

ট্রাইবুনালের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের মতে, নাম যাচাই করার জন্য আদালতের মতোই শুনানি প্রয়োজন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে নোটিস দিতে হয়। কিন্তু ট্রাইবুনালে তেমন কোনও ব্যবস্থা নেই। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট না থাকায় নোটিস দিতে সমস্যা হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জেলাশাসকের সাহায্য নিতে হচ্ছে। ফলে নির্ঝঞ্ঝাটে কাজ এগোনো যাচ্ছে না। এর আগে বিচারপতি শিবজ্ঞানমের পরপরই বিহারের এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিও ট্রাইবুনাল থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। এ বার সরে গেলেন বিচারপতি বাগ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement